করোনা আক্রান্ত অনাদি-শ্যামল, স্থিতিশীল ফুয়াদ হালিম। প্রবেশ নিষেধ আলিমুদ্দিনে।

স্থিতিশীল ফুয়াদ; করোনা আক্রান্ত অনাদি-শ্যামল। প্রবেশ নিষেধ আলিমুদ্দিনে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃকরোনা আক্রান্ত অনাদি-শ্যামল, স্থিতিশীল ফুয়াদ হালিম। প্রবেশ নিষেধ আলিমুদ্দিনে। করোনা সংক্রমণের জেরে বন্ধ হল আলিমুদ্দিন স্ত্রিটে সিপিআইএম-এর রাজ্য দফতর। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিন জন সিপিআইএম রাজ্যস্তরের নেতা। এই নেতারা হলেন ফুয়াদ হালিম, শ্যামল চক্রবর্তী এবং অনাদি সাহু। সিটু নেতা অনাদি সাহু কে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। আর এই সংক্রমণের জেরে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের রাজ্য দফতরে সিপিআইএম অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। উল্লেখ্য এই পার্টি অফিসেই বর্ষীয়ান নেতা তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু থাকেন।

আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে গেল আপারের শুনানি; ন্যায় বিচার হবে, আমরা প্রস্তুতঃ বিকাশ ভট্টাচার্য্য।

করোনা আক্রান্ত অনাদি-শ্যামল, স্থিতিশীল ফুয়াদ হালিম। অন্যদিকে ভাল খবর হল কিছুটা ভাল আছেন ফুয়াদ হালিম। তাঁকে আইসিইউ থেকে স্থানান্তরিত করে কোভিড ওয়ার্ডের কেবিন রাখা হয়েছে। ফুয়াদ হালিমের তিনবার করোনা ভাইরাসের টেস্ট করা হয়েছে। প্রথম দুবারই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু তৃতীয় বারের জন্যে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানোর পর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতাল সূত্রে খবর করোনা তে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ফুয়াদ হালিমের ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধেছে! তাই আইসিইউ তে রেখে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। দক্ষিন কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ডাক্তার ফুয়াদ হালিম।

বুধবার ফুয়াদ হালিমের স্ত্রী সাইরা হালিম প্রথমে ট্যুইট ফুয়াদ হালিমের অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আনেন। করোনা কালে কোন কিছুর পরোয়া না করে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন তিনি। প্রয়াত স্পিকার হাসিম আব্দুল হালিমের পুত্র ফুয়াদ হালিম করোনার সংকটের মধ্যে তাঁর তৈরি ‘কলকাতা স্বাস্থ্য সংকল্প’-এ দুঃস্থ মানুষদের জন্য মাত্র ৫০ টাকায় ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা করেছিলেন। বেশিরভাগ ডায়ালিসিস কেন্দ্র যখন বন্ধ ছিল, তখন মাত্র ৫০ টাকায় গত ২৬ শে মার্চ থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত তাঁর হাসপাতালে ২,৩৫৭ জনের ডায়ালিসিস করা হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে ফিরলেন বিপ্লব মিত্র; মিস্টি বিলিয়ে বাজি পুড়িয়ে উৎসব পালন কর্মীদের!

উল্লেখ্য লকডাউন পরবর্তী সময় একজন মানুষও ফেরেন নি তাঁর হাসপাতাল ‘স্বাস্থ্য সংকল্প’ থেকে। লকডাউনের সময়ে হাজার হাজার গরীব, অর্থকষ্টে ভোগা রুগি দেখেছেন ফুয়াদ। ভারতের মধ্যে একমাত্র তাঁর হাসপাতালেই হয়েছে মাত্র পঞ্চাশ টাকার বিনিময়ে ডায়ালিসিস। একদিকে করোনা সংক্রমণ অন্যদিকে ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ায় ফুয়াদের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত চিকিৎসক রা।এখন তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে হচ্ছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here