বিগত ৩৫ বছর ধরে কুমারটুলি ফুটবল কোচিং সেন্টার অনেক বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করেই চলছে। দুই বন্ধু মিলেই একসাথে এই ক্যাম্পটি চালায়। তাঁদের মূল উদ্দেশ্য নতুন প্রজন্মকে ফুটবলের প্রতি আকৃষ্ট করা। পাশাপাশি সমাজের ‘ অবহেলিত বাচ্চাদের প্রতিষ্ঠা দেওয়াও এই ক্যাম্পের অন্যতম লক্ষ্য।



আরও পড়ুন: লিগ টেবিলে সপ্তম স্থানে মুম্বাই, ফের রোহিতকে অধিনায়ক করার ডাক এম আই ফ্যানদের
কুমারটুলি ফুটবল কোচিং সেন্টার মূলত গরিব অবহেলিত ও রেড লাইট এরিয়ার বাচ্চাদের সমাজের মূল স্রোতে খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত রাখার চেষ্টা করে চলেছে। বর্তমানে মোবাইল ফোন মারন ভাইরাসের থেকে ও খারাপ পর্যায়ে নিয়ে গেছে যেখানে বাচ্চারা আর মাঠমুখী হতে চাইছে না। লাগাতার এর বিরুদ্ধে আমরা প্রচার জারি রয়েছে। কোনও বাচ্চার পরিবার যদি পড়ালেখা করাতে সমর্থ্য না থাকে সেক্ষেত্রেও সব সময় তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে এই কোচিং সেন্টার।

এখন বেঁচে আছে গ্রাম বাংলার ছেলেদের জন্য। একটা সময় কলকাতায় অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড় ময়দানে সুনামের সঙ্গে খেলেছে, বিশেষ করে এই কুমারটুলি অঞ্চল থেকে। এই উত্তর কলকাতা থেকেই অনেক ফুটবলাররা বাংলা ও ভারতীয় জার্সি গায়ে দেওয়ার সুযোগ অর্জন করেছে।


নিষিদ্ধ পল্লীর বাচ্চাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য, প্রতিনিয়ত সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে কুমারটুলি ফুটবল কোচিং সেন্টার

কুমারটুলি ফুটবল কোচিং সেন্টারের সম্পাদক রাজীব গুহ ও তাঁর বন্ধু সঞ্জয় ঘোষ রায় যিনি ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য ভালো মানের খেলোয়ার তৈরি করে ময়দানে পাঠানো ও বাংলা তথা ভারতের প্রতিনিধিত্ব করানো।







