১৫ বছর পর ‘ফিরল’ পুরন্দরপুর! তৃণমূলের দখলমুক্ত সিপিআইএমের পার্টি অফিসে ফের উড়ল লাল ঝান্ডা

বারুইপুর পশ্চিমে পুরন্দরপুরে ১৫ বছর পর সিপিএমের শাখা অফিস পুনরুদ্ধারের দাবি। ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল-সিপিএম রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বারুইপুর পশ্চিমে রাজনৈতিক জমিতে বড়সড় পালাবদলের ইঙ্গিত। সিপিআই(এম)-এর দাবি, ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে চলে যাওয়া পুরন্দরপুর শাখা অফিসটি অবশেষে পুনরুদ্ধার করেছেন তাদের কর্মী-সমর্থকেরা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ, আর নতুন করে শুরু হয়েছে শক্তি প্রদর্শনের লড়াই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারুইপুর পশ্চিম ১ এরিয়া কমিটির অন্তর্গত এই শাখা অফিসটি একসময় সিপিএমের সংগঠনিক কার্যকলাপের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। কিন্তু ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর সেটি তৃণমূলের দখলে চলে যায় বলে অভিযোগ। দীর্ঘ সময় ধরে ওই কার্যালয় ব্যবহার করত শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্ব।

১৫ বছর পর ‘ফিরল’ পুরন্দরপুর! তৃণমূলের দখলমুক্ত সিপিআইএমের পার্টি অফিসে ফের উড়ল লাল ঝান্ডা
১৫ বছর পর ‘ফিরল’ পুরন্দরপুর! তৃণমূলের দখলমুক্ত সিপিআইএমের পার্টি অফিসে ফের উড়ল লাল ঝান্ডা

সম্প্রতি, সিপিএম কর্মী-সমর্থকেরা সংগঠিতভাবে এগিয়ে এসে ওই অফিসটি ‘পুনরুদ্ধার’ করেছেন বলে দাবি। তাদের বক্তব্য, এটি শুধুমাত্র একটি ভবন ফিরে পাওয়ার ঘটনা নয়, বরং সংগঠনের পুরনো জমি পুনর্দখলের প্রতীক। এলাকায় লাল পতাকা উত্তোলন করে নতুন করে দলীয় কার্যক্রম শুরুর কথাও জানিয়েছেন নেতারা।

যদিও এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের তরফে পাল্টা প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। তাদের দাবি, বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে এবং আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রশাসন পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের সাম্প্রতিক পালাবদলের আবহে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে। একাধিক এলাকায় পুরনো শক্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় নামছে বিরোধী শিবির, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত