সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আনিসের বাড়িতে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্সের বিশেষজ্ঞরা। পরিবারের তরফে শুরু থেকেই অভিযোগ ছিল ছাদ থেকে ঠেলে আনিস খানকে খুন করা হয়েছে।
শনিবার আমতার ছাত্রনেতা আনিস খানের বাবা সালেম খানকে একথা জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, ছেলেও প্রতিবাদী, বাবাও প্রতিবাদী, গর্ব হচ্ছে।
ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পরতে পরতে বাড়ছে রহস্য। মৃত্যুর দিন কার নির্দেশে আনিসের বাড়ি গিয়েছিল পুলিশ? তা জানতেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে ফোন কল। যাচাই করা হচ্ছে ওই দিনের রেজিস্টার।
সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে কবর থেকে তোলা হল আনিসের দেহ। আমতার সারদা গ্রামের দক্ষিণ খাঁ পাড়ার কবর থেকে আনিসের দেহ বের করিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হল। দেহ নিয়ে যাওয়া হবে এসএসকেএম হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই সেখানকার অটোপসি সার্জেনদের প্রস্তুত থাকার কথা বলা হয়েছে।
সোমবার আনিস খানের দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য উপস্থিত হয় পুলিশ। কিন্তু দেহ তোলা নিয়ে আরও একবার জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি, জেলা জজ ছাড়া দেহ তুলতে দেওয়া হবে না। ফলে আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত ঘিরে জটিলতা দেখা দিয়েছে।