বিধানসভা নির্বাচনের সময় অস্বাভাবিকভাবে ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল সিপিএমের তরুণ নেতা আনিস খান। অভিযোগ ছিল খুন করা হয়েছে আনিসকে। সময়ের ঘড়ি চলতেই থেকেছে কিন্তু আনিসের মৃত্যুর তদন্ত আজও শেষ হয়নি। পরিবারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্তের দাবি উঠলেও তা মেটেনি। এবার আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামেদের হয়ে দেওয়াল লিখছেন আনিসের বৃদ্ধ বাবা সালেম খান।
হাওড়ার আমতার চন্দ্রপুর বাজারের কাছে বোমা বিস্ফোরণের মামলায় এনআইএকে পক্ষ করতে হবে। নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার আমতার বিস্ফোরণের মামলায় এনআইএকে পার্টি করার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজে হাত লাগায় স্থানীয় বাসিন্দা। ইতিনধ্যেই স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল দুর্ঘটনার একাধিক ভিডিও৷ সেইসঙ্গে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় বসে রয়েছেন বহু আহত যাত্রী। কী কারণে দুর্ঘটনা? সবটা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ।
আনিসের বাড়িতে অভিযান আইন মেনে হয়নি। আদালতে তা স্বীকার করল রাজ্য। অভিযুক্ত পুলিশদের শাস্তির প্রয়োজন। যদিও আনিসকে খুনের উদ্দেশ্য নিয়ে যায়নি পুলিশ তাই ৩০২ ধারা এক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
পুলিশকর্মীরা সিঁড়ি দিয়ে উঠে কী দেখলেন? রিপোর্টে তার উল্লেখ নেই কেন? আনিস যদি পালাতে গিয়ে পড়ে যায়, তা হলে কীভাবে ৩০৪এ ধারা প্রযোজ্য হবে? পালাতে গিয়ে পড়ে গেলে পুলিশ কেন দায়ী হবে? আনিসের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে, তাঁকে ৪১এ নোটিস পাঠানো প্রয়োজন ছিল। সেই নোটিস পাঠানো হয়েছে কী?
শুরু থেকে আনিসের পরিবারের পাশে ছিল বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ। এর আগে আনিস খানের বাবার সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর সাথে পা মেলান আনিসের বাবা সালেম খান। ঈদের দিন আনিস খানের বাড়িতে সেলিম-শতরূপ-নওশাদ।