নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৭ দিনের পরেও এখনও ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যুর কিনারা মেলেনি। সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আনিসের বাড়িতে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্সের বিশেষজ্ঞরা। পরিবারের তরফে শুরু থেকেই অভিযোগ ছিল ছাদ থেকে ঠেলে আনিস খানকে খুন করা হয়েছে। পরিবারের সেই অভিযোগ সত্য কী না তা যাচাই করার জন্য সিটের দুই তদন্তকারী অফিসার সহ আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিলেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুনঃ Sex Racket: স্ত্রীকে টাকার বিনিময়ে অন্যের সঙ্গে যৌনতায় বাধ্য করতেন স্বামী, অবশেষে গ্রেফতার


এদিন উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ছিলেন বারাসাত জেলা আদালতের বিচারক। আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিলেন তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থল পরীক্ষা করলেন সিএফএসএলের বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য, আনিস খানের খুনের আমতা থানার হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলেন্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। যদিও দুই অভিযুক্তদের দাবী, তাঁরা ওসির নির্দেশ মেনেই কাজ করেছেন। তাঁদেরকে এখন বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। যদিও আনিসের বাড়িতে যাওয়ার বিষয়ে কোনও লিখিত নির্দেশ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই ওই দিন ডিউটিতে থাকা পুলিশ অফিসারদের ফোন কল খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে আনিসের পরিবারকে খুনের অভিযোগে রবিবার একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম সারোয়ার খান। বেনিয়াপুকুর থানা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, এক্সচেঞ্জ থেকে ভিওআইপি কলের মাধ্যমে ফোন করা হত। অন্য কেউ ফোন করে থাকলেও এর সঙ্গে সারোয়ার যুক্ত রয়েছে। এমনটাই মনে করছে পুলিশ।


আনিসের বাড়িতে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্সের বিশেষজ্ঞরা, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত? কেন ফোন করে খুনের হুমকি দিত সারোয়ার? তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে আমতা থানার তদন্তকারী অফিসাররা৷ ইতিমধ্যেই ওই এক্সচেঞ্জ পুলিশের তরফে সিল করে দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



