মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কীভাবে ছেলের মৃত্য়ু, তা জিজ্ঞাসা করাতেই মারমুখী হয়ে ওঠে পুলিশ। পুলিশ ক্যাম্পে তাঁদের হেনস্থা ও মারধর করা হয় এবং এরপর তাঁদের টেনে হিঁচড়ে বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পাল্টা পুলিশের সাফাই, মারধর করা হয়নি, তাঁদেরকে কেবল হাসপাতালের ইমার্জেন্সির সামনে থেকে সরিয়ে আনা হয়েছিল। কারণ, ইমার্জেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের চিকিৎসা করতে বাধা দিচ্ছিলেন মৃত ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনাটা শনিবারের। অশোকনগরে প্রচার সারছিলেন স্বপন মজুমদার। সেখানেই তিনি সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে কথা শুরু করেন এবং সমস্ত দায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চাপান। এর পরই তিনি এমন বাজে মন্তব্য করেন যা কার্যত ছাপার অযোগ্য।
বিতর্কের সূত্রপাত মঙ্গলবার থেকে। একটি ছবিকে কেন্দ্র করে। সেই ছবিতে দেখা যায়, বিজেপির শিক্ষক সেলের হয়ে বিকাশভবনে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বারাসাতের ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী প্রবীর ঘোষ!
এর আগেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান স্বপন মজুমদার। তিনি বলেছিলেন, "যে সমস্ত শাসক দলের নেতারা অবৈধভাবে ফুলে ফেঁপে উঠছে এবং মানুষকে চমকাচ্ছে, পুলিশকে দিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়া করাচ্ছে আগামীদিনে এই পুলিশ দিয়েই তাদের এনকাউন্টার করাব!"
বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৬ মার্চ বাংলায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসাতের কাছারি ময়দানে মহিলা ন্যায় সমাবেশের আয়োজন করতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। সেখানেই ভাষণ দেবেন নরেন্দ্র মোদী।