নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা আবহে দ্রুত স্কুল খোলার দাবীতে সরব হয়েছে বাম ছাত্র সংগঠন। সোমবার স্কুল খোলার দাবীতে এসএফআইয়ের মিছিল। স্কুল খোলার দাবিতে দমদম এয়ারপোর্ট এক নম্বর গেটের সামনে মিছিল এসএফআইয়ের। মতিলাল কলোনিতে মিছিল আটকালো পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু। ৫০ জনকেই আটক করে দমদম থানার পুলিশ।


অন্যদিকে, বারাসাতে স্কুল খোলার দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র সংগঠন। বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে জেলাশাসকের দফতরে প্রবেশ করে তাঁরা। পরে তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এমনকি রাস্তার ওপর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা।
বাম নেতাদের বক্তব্য, পানশালা খোলা। কিন্তু পাঠশালা খোলা নেই কেন? প্রশ্ন করতে গিয়েছিলাম ডিএম অফিসে। কিন্তু পুলিশ গুণ্ডাদের মতো আচরণ করছে। আমাদেরকে ঠেলে বার করে দিল। আমাদের দোষ কী? আমাদেরকে লাথি মেরে সিঁড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছে পুলিশ। স্কুল কলেজ তো খুলতে হবে নাকি? নোনা জল ছিটিয়ে গঙ্গাসাগরের মেলা হচ্ছে, নোনা জল ছিটিয়ে স্কুল কলেজ খোলা হচ্ছে না কেন? এ কথা বলতে এসেছিলাম। পুলিশ আমাদের লাথি মেরেছে। তৃণমূলকে দেখলে টেবিলের তলায় লুকোয়, সেই পুলিশ ছাত্রছাত্রীদের দেখলে লাঠিপেটা করে।
একইসঙ্গে এদিন, স্কুল খোলার দাবীতে রঘুনাথগঞ্জ থানার ওমরপুর মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপরেই প্রতীকী ক্লাস চালু করে অবরোধ করল এসএফআই, ডিওয়াইএফআই। ওমরপুর মোড়ের কাছে একটি লেনের ওপরেই ছাত্র ছাত্রীদের রাস্তায় বসিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে প্রতিবাদের ক্লাস করায়। প্রতিবাদ সভায় হাজির ছিলেন শিক্ষকরা।


এদিন বালুরঘাটের ব্যস্ততম রাস্তার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। এসএফআই নেতৃত্বের দাবী, পুলিশের কাছে তাঁদের আন্দোলনের জন্য বুহবার আবেদন জানানো হলেও পুলিশ তাঁদের অনুমতি দেয়নি। তা ছাড়া শিক্ষাকেন্দ্র খোলার জন্য এই আন্দোলনের কোন অনুমতি লাগে বলে তাঁদের জানা নেই। এসএফআই নেতৃত্বের আরও অভিযোগ মহিলা পুলিশ ছাড়াই তাদের মহিলা কর্মীদের গায়ে হাত দিতে দিতে ধাক্কা মেরে তাঁদের আন্দোলন থেকে সরিয়ে দিয়েছে। যা অনৈতিক।
স্কুল খোলার দাবীতে এসএফআইয়ের মিছিল, জেলায় জেলায় প্রতিবাদে বামেরা

একইসঙ্গে বিক্ষোভ চলে বীরভূমের সিউড়িতেও। সিউড়িতে বাসস্ট্যান্ডের ওপরেই বিকল্প কালস চালু করল এসএফআই। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়ে তাঁদের।








