বৃহস্পতিবার বিকেলে ভিআইপি রোডে স্কুল বাস থেকে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার একাদশ শ্রেণির এক ছাত্র। এমনকি মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত ছাত্রের নাম অঙ্গীকার দাশগুপ্ত। সে সল্টলেক সিএস স্কুলে পড়ত। এদিকে মৃত ছেলের দেহ দেখতে চাওয়ায় শোকার্ত বাবা-মাকে নিগৃহীত হতে হল পুলিশের হাতে। এমনকি তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ! এটাই কি বাংলার পুলিশের সংস্কৃতি? উঠছে প্রশ্ন।
জানা গিয়েছে, ছেলের এই মৃত্যু সংবাদ জানতেন না বাবা মা। স্থানীয় রিক্সা চালকের কাছ থেকে তাঁরা খবর পান। এদিকে, দুর্ঘটনার পর অঙ্গীকার দাশগুপ্তকে বারাসাত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। যদিও প্রথমে ছুটে আসেন ঘটনাস্থলের আশেপাশের সাধারণ মানুষ। এরপর খবর পেয়ে বারাসাত হাসপাতালে ছুটে আসেন বাবা-মা। সেখানেই দুর্ঘটনায় মৃত ছেলের দেহ দেখতে চেয়ে হাসপাতালের মধ্যেই পুলিশের হাতে মার খেতে হল পুত্রহারাদের।



মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কীভাবে ছেলের মৃত্য়ু, তা জিজ্ঞাসা করাতেই মারমুখী হয়ে ওঠে পুলিশ। পুলিশ ক্যাম্পে তাঁদের হেনস্থা ও মারধর করা হয় এবং এরপর তাঁদের টেনে হিঁচড়ে বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পাল্টা পুলিশের সাফাই, মারধর করা হয়নি, তাঁদেরকে কেবল হাসপাতালের ইমার্জেন্সির সামনে থেকে সরিয়ে আনা হয়েছিল। কারণ, ইমার্জেন্সিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের চিকিৎসা করতে বাধা দিচ্ছিলেন মৃত ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা।
দুর্ঘটনায় মৃত্যু ছেলের, দেহ দেখতে চাওয়ায় বাবা-মাকে মারধর, বাংলার পুলিশের অসামান্য সব কীর্তি!



কিন্তু, এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠছে। প্রথমত, দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই চারনক হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও কেন গুরুতর জখম ওই ছাত্রকে দূরে বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল? তাছাড়া পরিবার আরও জানিয়েছে, মৃত্যুর ৪ ঘণ্টা হওয়ার আগেই দেহ মর্গে পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বাবা-মাকে কি আগেই খবর দেওয়া যেত না? আর তাঁদের সঙ্গে এইরকম আচরণ করা হল?







