চাকরি দুর্নীতির ‘রোষ’? ট্রেন্ডে পিছিয়ে তৃণমূলের ১৫ মন্ত্রী হারছেন!

শিক্ষা থেকে শিল্প—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রীরা পিছিয়ে, ভোটের ট্রেন্ডে বড় ধাক্কা তৃণমূল শিবিরে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ভোটগণনার ট্রেন্ডে বড় ধাক্কা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য। একের পর এক বিদায়ী মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়ার ইঙ্গিত সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা—চাকরি দুর্নীতি, নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও বেকারত্বের ক্ষোভ কি ভোটবাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৫ জন তৃণমূল মন্ত্রী এই মুহূর্তে পিছিয়ে রয়েছেন।

এই তালিকায় রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েট নেতা। দমদম কেন্দ্রে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু প্রায় ৮,০০০-র বেশি ভোটে পিছিয়ে। উত্তর দমদমে অর্থ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও পিছিয়ে রয়েছেন ২,০০০-র বেশি ভোটে।

চন্দননগরে পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন প্রায় ৪,০০০ ভোটে পিছিয়ে। বিধাননগরে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর ব্যবধান আরও বড়—১২,০০০-এর বেশি ভোটে পিছিয়ে তিনি।

মন্তেশ্বরে গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, দুর্গাপুর পূর্বে প্রদীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া দক্ষিণে পুলক রায়—একাধিক মন্ত্রীই পিছিয়ে রয়েছেন বিভিন্ন ব্যবধানে।

উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলেও একই ছবি। দিনহাটায় উদয়ন গুহ, বিনপুরে বীরবাহা হাঁসদা, শালবনিতে শ্রীকান্ত মাহাতো—এদেরও লড়াই কঠিন হয়ে উঠেছে।

হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরে পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী, সবং-এ মানস ভুইঁয়া, পূর্বস্থলী দক্ষিণে স্বপন দেবনাথ—সব মিলিয়ে তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে।

কলকাতাতেও ধাক্কা—শ্যামপুকুর কেন্দ্রে শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজা প্রায় ৪,৪০০ ভোটে পিছিয়ে।

সব মিলিয়ে, রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের একাধিক মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়া স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—ভোটারদের মনোভাব বদলাচ্ছে কি? যদিও চূড়ান্ত ফল এখনও অনেক দূর, তবুও এই ট্রেন্ড রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত