নজরবন্দি ব্যুরোঃ সত্যিই কী খুন হয়েছিলেন আনিস খান? শুক্রবার আদালতে রিপোর্ট পেশ করল সিট এবং জেলা জজ। সূত্রের খবর, ২০ পাতার একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার রয়েছে মামলার পরবর্তী শুনানি।
আরও পড়ুনঃ SSC: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি যেন ‘হিমশৈলের চূড়া’, CBI তদন্তে স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের।
সূত্রে খবর, এখনও অবধি আনিস খান তদন্তে নেমে যে বিষয়গুলিতে অগ্রগতি হয়েহে, সেবিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে সিটের তরফে। ঘটনায় কাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে? কাদের গোপন জবানবন্দী নেওয়া হয়েছে এবিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট সিটের তরফে জমা দেওয়া হয়েছে। সিটের বক্তব্য, দুটি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এসেছে। তবে আনিসের মোবাইল ফোন হায়দ্রাবাদে ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছিল সেই রিপোর্ট এখনও এসে পৌঁছায়নি। সেই রিপোর্ট আসতে আরও দুই সপ্তাহ লাগতে পারে।
এদিন বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বেঞ্চে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়ে সিটের তরফে। ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট আসতে দেরি হওয়ায় আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছে রাজ্য। এদিন বিচারপতি বলেন, ওসিকে তোপ ছুটিতে পাঠিয়েছেন। গোপন জবানবন্দী কবে নেবেন? রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, ফরেনসিক রিপোর্ট না আসার কারণে এখনও অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়নি। রিপোর্ট এলে বিস্তারিত জানা যাবে।
তবে এখনও সিটের তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী হবে আনিস খানের মৃত্যুকাণ্ডের শুনানি। মনে করা হচ্ছে, সিটের রিপোর্টেই ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যু রহস্যভেদ করা সম্ভব হবে। যদিও শুরু থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবী করে আসছিলেন আনিসের পরিবার। আদালতের কাছে আতার আবেদন জানাবেন কি না সেটা দেখার।
সত্যিই কী খুন হয়েছিলেন আনিস খান? ২০ পাতার রিপোর্ট হাইকোর্টে

উল্লেখ্য, আনিস খানের হত্যাকাণ্ডে এখনও অবধি ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলেন্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্য। আদালতের নির্দেশে ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছিল সিটকে। অন্যদিকে আনিসের পরিবারের তরফে সিবিআই তদন্তের দাবী করা হলে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।



