নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর সোমবার আনিস খানের দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য উপস্থিত হয় পুলিশ। কিন্তু দেহ তোলা নিয়ে আরও একবার জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি, জেলা জজ ছাড়া দেহ তুলতে দেওয়া হবে না। ফলে আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত ঘিরে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Anish Khan Death: আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত, সম্মতি দিল পরিবার
সোমবার সকালে আনিস খানের দেহ তুলতে উপস্থিত হন তিন সদস্যের দল। সেই দলে রয়েছেন হাওড়ার বিএমওএইচ এবং জেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁরা প্রথমে আনিস খানের বাবার সঙ্গে কথা বলেন। আনিসের বাবাকে মৃতদেহ শনাক্তের জন্য যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আনিসের বাবা জানিয়ে দেন যেহেতু তিন অসুস্থ তাই তাঁর পরিবর্তে উপস্থিত হবেন আনিসের বড় ভাই এবং আনিসের কাকার ছেলে।
কিন্তু জটিলতা তৈরি হয় আনিসের মৃতদেহ তোলার সময়। আনিস খানের পরিবারের পক্ষ থেকে আইনজীবী জানিয়ে দেব জেলা জজের উপস্থিতি ছাড়া এই কাজ তাঁরা করতে দেবেন না। সূত্রে খবর, পুরো বিষয়টি জেলা জজের কাছে জানানো হয়েছে। তিনি উপস্থিত হতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। তার পরেই দেহ তোলা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এই মুহুর্তে দেহ তোলাকে নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে আমতার ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুর কিনারা পেতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য পরিবারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল সিটের আধিকারিকরা। কিন্তু সিটের ময়নাতদন্তের ওপর আস্থা না থাকায় অনুমতি দেয়নি আনিসের পরিবার। পরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সিট। আদালতের তরফে অনুমতি মিলতেই দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য রাজি হয় আনিসের পরিবার।
এরই মধ্যে শনিবার ভোররাতে আনিসের দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য সারদায় উপস্থিত হয়েছিল আধিকারিকরা। পরিবারের তরফে সোমবার দেহ তোলার কথা বলা হলেও কেন আগে তোলা হবে আনিসের দেহ? এই প্রশ্নকে সামনে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের বিক্ষোভের জেরে জায়গা ছাড়তে বাধ্য হয় পুলিশ।
আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত ঘিরে জটিলতা, অনুপস্থিত জেলা জজ

আনিসের দেহ চুরির উদ্দেশ্যেই পুলিশ এসেছিল, অভিযোগ পরিবারের। সেখানে সিটের কোনও আধিকারিক উপস্থিত ছিল না বলে অভিযোগ জানায় আনিসের পরিবার। ছেলের দেহ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তোলাবেন বলে জানান আনিসের বাবা সালেম খান।



