এখনও পর্যন্ত এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শনাক্ত করা হয়েছে ১৫১টি দেহ। এপ্রসঙ্গে ওড়িশার মুখ্যসচিব এ দিন জানান, বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ২৭৫জনের মধ্যে ১৫১ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এরপর মৃতদের গুলিকে যাবতীয় নিয়ম মেনে পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য বিনামূল্যে শববাহী গাড়ির ব্যবস্থাও করা হবে।
নজরবন্দি ব্যুরো: ওড়িশার ট্রেন দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় আড়াই দিন। বাহানগায় ফের শুরু হয়েছে ট্রেন পরিষেবা। উদ্ধারকার্য শেষে স্বাভাবিক হয়েছে রেল চলাচল ব্যবস্থা।...
প্রথম থেকেই এই ঘটনায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেলমন্ত্রীর সামনেই একাধিক মন্তব্য করেন মমতা। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন ট্রেন দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলকে লুটেছেন! এখন বড় বড় ডায়লগ দিচ্ছেন উনি!"
গত শুক্রবার ওড়িশার বালেশ্বরের রেল দুর্ঘটনা গোটা দেশে সাড়া ফেলে দিয়েছে। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আহতের সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকার্য। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার ফের লাইনচ্যুত হল মালগাড়ি। ঘটনাস্থল ওড়িশা।
এবার দুর্ঘটনার ৪০ ঘণ্টার মধ্যে কারণ স্পষ্ট করে দিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব! কোনও যান্ত্রিক ত্রুটিবিচ্যুতি নয়! বরং করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় মানুষকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রিয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ইতিমধ্যেই রবিবার বিকেলে এপ্রসঙ্গে তিনি ঘোষণা করে জানান, "মানুষের হাতেই করমণ্ডল বিপর্যয়! দোষীদের চিহ্নিত করা হয়েছে! তদন্তও সম্পূর্ণ করা হয়েছে।"
করমণ্ডল এক্সপ্রেস, হামসফর এক্সপ্রেস, মালগাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘাতের অভিঘাত এতটাই বেশি ছিল যে করমণ্ডল মালগাড়ির উপরে উঠে যায়। লাইনচ্যুত হয় ২১ টি কামরা। অন্যদিকে হামসফর এক্সপেসের একাধিক কামরা লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হয়নি ট্রেন চালকদের। কিন্তু শুক্রবার রাত দুর্ঘটনার মুহূর্তে ঠিক কি হয়েছিল? নিজেই জানালেন যশবন্তপুর এক্সপ্রেসের চালক।
কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন আগামী বুধবারের আগে ট্রেন পরিষেবা চালু হবে না। অন্যদিকে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকার কারণে ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।