গত ২ জুন ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, যশবন্তপুর এক্সপ্রেস এবং একটি মালগাড়ির সংঘর্ষ হয়। করমণ্ডলের ২১ টি কামরা, যশবন্তপুরের ৩ টি কামরা লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ২৮৮ জন। আহতের সংখ্যাও হাজারের কাছাকাছি। রেলবোর্ডের সুপারিশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এই দুর্ঘটনার তদন্তভার নেয়। ইতিমধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিবিআইয়ের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাহানগা বাজার রেল স্টেশনে কোনও ট্রেন দাঁড়াবে না বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক।
হাসপাতালের মর্গের বাইরে চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ট্রেন দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবার পরিজনরা তাঁদের খুঁজতে যেমন লড়াই করছেন! ঠিক উল্টোদিকে, অনেকেই আবার দাবি করেছেন যে, তাদের কাছে অন্য কারোর পরিবারের সদস্যের মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয়েছে। আর অন্য কারোর পরিবারের মৃতদেহ তাঁদের কাছে! অর্থাৎ ট্রেন দুর্ঘটনায় দেহ অদল-বদলের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে চিহ্নিতকরণ এখন অন্যতম বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বালেশ্বরে একটি ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। ওড়িশা সীমানাতেও একটি ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। বাংলার তরফে এখনও পর্যন্ত ১০০ টিরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে ওড়িশায়। আইএএস, আইপিএস এবং অন্যান্য সরকারি আমলাদের মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৪০ জন আধিকারিক প্রতিবেশী রাজ্যে রয়েছেন রয়েছেন।
নজরবন্দি ব্যুরো: ওড়িশার বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনার জেরে শেষ মুহূর্তে পাহাড় সফর বাতিল করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ব্বহ্য মানুষ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকেই...