নজরবন্দি ব্যুরো: পাহাড় সফর বাতিল করে মঙ্গলবার ওড়িশা গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করমণ্ডল দুর্ঘটনায় আহতদের সঙ্গে দেখা করতে কটকের হাসপাতালে গিয়েছেন তিনি। এদিকে দুর্ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এবিষয়ে সাংবাদিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করলে কোনও কথা বলতে চাননি তিনি। তবে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা বাইরে আনা হোক, সেই দাবি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: Coromandel বিপর্যয়ে ৪০ জন মৃতের শরীরে নেই ক্ষতের চিহ্ন, কীভাবে মৃত্যু? উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য


ওড়িশার বালেশ্বরের রেল দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নো কমেন্টস। আমি চাই সত্যটা বেরিয়ে আসুক। আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। এখন আমাদের মানুষের পাশে থাকা উচিৎ, তাঁদের সাহায্য করা উচিৎ। সত্যিটা যেন ধামাচাপা পড়ে না যায়। এতগুলি জীবন গেল। কীভাবে হল, কীভাবে এতজনের মৃত্যু হল, সত্যটা বাইরে আসুক, এটাই চাই।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানিয়েছেন, ওড়িশা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে একসঙ্গে কাজ করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় আহতদের কটকের হাসপাতালে বিনামূল্যে পরিষেবা দিচ্ছে ওড়িশা সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তিন-চারটি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। বালেশ্বরে একটি ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। ওড়িশা সীমানাতেও একটি ক্যাম্প তৈরি হয়েছে। বাংলার তরফে এখনও পর্যন্ত ১০০ টিরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে ওড়িশায়। আইএএস, আইপিএস এবং অন্যান্য সরকারি আমলাদের মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৪০ জন আধিকারিক প্রতিবেশী রাজ্যে রয়েছেন রয়েছেন।



গত শুক্রবার দুর্ঘটনার রাতেই রাজ্যের একটি প্রতিনিধি দল ওড়িশায় পৌঁছে যায়। শনিবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এদিন মমতা জানিয়েছেন, বাংলার ৯৭ জন এখনও আহত অবস্থায় রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ১০৩ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। রেল দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন তিনি। আগামী বুধবার এই ক্ষতিপূরণের টাকা মৃতদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
‘তর্ক-বিতর্কের সময় নয়’, করমণ্ডল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে কি বললেন মমতা









