নজরবন্দি ব্যুরো: ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা প্রায় তিনশোর কাছাকাছি ঠেকেছে। দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃতদেহের শনাক্তকরণের কাজ চলছে। এরইমধ্যে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। করমণ্ডল দুর্ঘটনায় মৃতদের মধ্যে ৪০ জনের শরীরে কোনও ক্ষতবিক্ষত চিহ্ন নেই। তাহলে মৃত্যু কীভাবে? এই সংক্রান্ত একটি তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে রেলের তরফে।
আরও পড়ুন: কয়েকদিনের বিরতি কাটিয়ে ফের ময়দানে, অখিলেশ যাদবের সঙ্গে দেখা করবেন Arvind Kejriwal


রেল সূত্রে খবর, করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় ৪০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে। এক রেল আধিকারিক জানিয়েছেন, ট্রেনের বগিগুলি যখন ইঞ্জিন থেকে আলাদা হয়ে যায়, সেইসময়ে বগির মধ্যে থাকা অবস্থাতেই যাত্রীদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের শরীরে কোনও বড় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেই খবর। রেলের তরফে জানা গিয়েছিল, দুর্ঘটনার সময় মালগাড়িতে ধাক্কা খাওয়ার পর হাওড়া-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেসের বগিগুলি ছিটকে এদিক ওদিক যাওয়ার সময় ওভারহেডের বিদ্যুতের তারের সঙ্গে বগিগুলির সরাসরি সংস্পর্শ হয়। এরফলে একাধিক যাত্রীর মৃত্যু হয় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে।

প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হওয়ার কারণে ৪০ জন যাত্রীর শরীরে ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই রেলপুলিশের সাব ইনস্পেক্টর একটি এফআইআর দায়ের করেছেন। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক এনিয়ে বলেন, “দেহগুলি শনাক্ত করার সময় দেখা যায় ৪০ টি মৃতদেহ রক্তের দাগ নেই বা কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই।” করমণ্ডলের মত বড় দুর্ঘটনায় এই ধরনের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলেও জানিয়েছেন রেল আধিকারিকরা।



বালেশ্বরের ট্রেন দুর্ঘটনায় জিআরপি-এর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে দায়ের হওয়া এফআইআরে অভিযুক্ত হিসেবে কারও নামের উল্লেখ করা হয়নি। ডিএসপি পদমর্যাদার নেতৃত্বে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন রেল বোর্ড দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছে। সেইমত মঙ্গলবার সকালেই সিবিআইয়ের একটি প্রতিনিধি দল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
Coromandel বিপর্যয়ে ৪০ জন মৃতের শরীরে নেই ক্ষতের চিহ্ন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু








