ভয়াবহ করমণ্ডল এক্সপ্রেস বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে প্রায় দু মাস। দুর্ঘটনায় প্রান হারিয়েছে বহু মানুষ। কিন্তু এখনও অনেকের শনাক্তকরণ বাকি। নাম-পরিচয় জানা যায়নি এমন মৃতদেহের সংখ্যা প্রায় ৩০। ডিএনএ পরীক্ষার পরও প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ। দেহগুলি এখনও সংরক্ষিত রয়েছে ভুবনেশ্বরের এইমসে।
গত ২ জুন ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, যশবন্তপুর এক্সপ্রেস এবং একটি মালগাড়ির সংঘর্ষ হয়। করমণ্ডলের ২১ টি কামরা, যশবন্তপুরের ৩ টি কামরা লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ২৮৮ জন। আহতের সংখ্যাও হাজারের কাছাকাছি। রেলবোর্ডের সুপারিশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এই দুর্ঘটনার তদন্তভার নেয়। ইতিমধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিবিআইয়ের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাহানগা বাজার রেল স্টেশনে কোনও ট্রেন দাঁড়াবে না বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি নিমেষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিও দেখে রীতিমত গা শিউরে উঠছে নেটিজেনদের। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের এক যাত্রীর ফোনে এই ভিডিও বন্দি হয়েছে বলে খবর। পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল কিন্তু পর মুহূর্তেই সব কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে।
বাংলা থেকে মোট ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা ৮৬ জনের দেহ পেয়েছি। তাঁদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হল। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ মাস ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। কাজ করতে পারছেন না, এমন তিনজনকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০০০ টাকার নোট দেওয়া হয়েছ। সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ২০০০ টাকার নোট বাতিল করেছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের আগে এই নোট বদল করা যাবে। তৃণমূল সরকারকে বিঁধে বিরোধীদের প্রশ্ন, ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০০০ টাকার নোট কেন দেওয়া হল? এত ২০০০ টাকার নোট কি করে এল?
নজরবন্দি ব্যুরো: ওড়িশার বালেশ্বরের ট্রেন দুর্ঘটনা গোটা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনায় ওড়িশার প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা...