ভোট শেষ হতেই জ্বালানির দামে বড় ধাক্কা—আর সেই মুহূর্তেই কেন্দ্রকে নিশানা করলেন বিরোধী শিবির। বাণিজ্যিক LPG-র দামে একলাফে প্রায় ₹১০০০ বৃদ্ধিকে “ভোটের খরচ তোলা” বলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন Rahul Gandhi। তাঁর দাবি, এটাই শুরু—এরপর পেট্রল-ডিজেলেও বাড়তে পারে দাম, যা সরাসরি চাপ ফেলবে সাধারণ মানুষের পকেটে।
রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির সর্বশেষ সংশোধনে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ₹৯৯৩ বেড়েছে। পাশাপাশি অটো-এলপিজির দামও লিটারপিছু ₹৬.৪৪ বাড়ানো হয়েছে। এই দুই ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি কার্যকর হয়েছে ১ মে থেকে। ফলে পরিবহণ খরচ থেকে শুরু করে খাবারের দাম—সবেতেই প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


“এটা কেবল শুরু”—রাহুলের সতর্কবার্তা
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে রাহুল বলেন, “আগেই বলেছিলাম ভোটের পর মূল্যবৃদ্ধি আসবে। আজ বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম একদিনে প্রায় ₹১০০০ বেড়েছে—এটাই ইতিহাসে অন্যতম বড় বৃদ্ধি। এটাই ভোটের খরচের বিল।” তাঁর দাবি, গত তিন মাসে বাণিজ্যিক LPG-র দাম প্রায় ₹১৩৮০ বেড়েছে, যা প্রায় ৮১% বৃদ্ধি।
রাহুলের বক্তব্য, এই বৃদ্ধি শুধু ব্যবসায়ী বা হোটেল মালিকদের সমস্যা নয়—এর প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের খাবারের থালাতেও। চায়ের দোকান, ধাবা, রেস্তোরাঁ—সব ক্ষেত্রেই খরচ বাড়বে, যা শেষমেশ গ্রাহকদেরই বহন করতে হবে।
সামনে কী?
বিরোধী শিবিরের আশঙ্কা, LPG-র পর এবার পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়তে পারে। যদিও সরকারিভাবে এখনও তেমন কোনও ঘোষণা হয়নি, তবু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং সাম্প্রতিক মূল্যসংশোধনের ধারা—এই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


সব মিলিয়ে, ভোট-পরবর্তী এই মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে—যার প্রভাব পড়বে শহর থেকে গ্রাম, সব স্তরের মানুষের জীবনযাত্রায়।







