বুধবার সকালে তেলবোঝাই একটি মালগাড়ি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের অদূরে রাঙাপানি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। দুটি ওয়াগন রেললাইন থেকে নীচে নেমে যায়। বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। হতাহতেরও খবর নেই।
প্রাথমিক তদন্তেই জানানো হয়েছিল যে, যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, মানুষের ভুলেই ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশে। এবার এই দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে রেল আধিকারিকরাও জানালেন, ট্রেনের চালকের ভুলেই এই রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের এক শীর্ষ কর্তা জানান, বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার ট্রেনের চালকই সিগন্যাল মানেননি। লাল সিগন্যাল থাকা সত্ত্বেও বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার ট্রেনের চালক সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে যান। আর যার ফলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
করমণ্ডল এক্সপ্রেসের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তাজা। সেই আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই ফের ভয়ঙ্কর ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার ট্রেন ও বিশাখাপত্তনম-পালাসা প্যাসেঞ্জার ট্রেন। রবিবার রাতেই ভয়ংকর ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সিগন্যালিংয়ের ভুলে একই লাইনে চলে আসে দুটি ট্রেন। যার জেরে লাইনচ্যুত হয় একাধিক কামরা।
ফের বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটল! রবিবার সাত সকালে ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী রইল বাঁকুড়ার ওন্দায়। সেখানেই রেল লাইলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালগাড়ির উপর উঠে য়ায় আরও একটি মালগাড়ি। এই ভয়য়াবহ দুর্ঘটনার জেরে দু’টি মালগাড়িই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি গুরুতর জখম হয়েছেন দুইজন চালকও। তবে এই ঘটনায় চালকের ভুলেই বলে মনে করছেন আদ্রা ডিভিশন ডিআরএম মনীশ কুমার।