নজরবন্দি ব্যুরো: করমণ্ডল এক্সপ্রেসের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তাজা। সেই আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই ফের ভয়ঙ্কর ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার ট্রেন ও বিশাখাপত্তনম-পালাসা প্যাসেঞ্জার ট্রেন। রবিবার রাতেই ভয়ংকর ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সিগন্যালিংয়ের ভুলে একই লাইনে চলে আসে দুটি ট্রেন। যার জেরে লাইনচ্যুত হয় একাধিক কামরা।


জানা গিয়েছে, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখনও অবধি ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন। তাছাড়াও দুর্ঘটনার জেরে আপাতত ওই লাইনে রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে ট্রেন দুর্ঘটনার জেরে হাওড়া-চেন্নাইগামী রুটে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। যার দরুন একাধিক ট্রেনের সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি বহু ট্রেনের রুটও বদলে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাথমিক তদন্তেই জানানো হয়েছিল যে, যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, মানুষের ভুলেই ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশে। এবার এই দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে রেল আধিকারিকরাও জানালেন, ট্রেনের চালকের ভুলেই এই রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের এক শীর্ষ কর্তা জানান, বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার ট্রেনের চালকই সিগন্যাল মানেননি। লাল সিগন্যাল থাকা সত্ত্বেও বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার ট্রেনের চালক সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে যান। আর যার ফলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।



ট্রেনের চালকের ভুলেই দুর্ঘটনা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
এদিকে, সোমবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলের ড্রোন ভিজ্যুয়ালে দেখা যায়, পরপর দুটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে। একটি কামরা বেঁকে ডানদিকের নীচু জমিতে পড়ে রয়েছে। বাকি কামরাগুলি বাদিকে একে অপরের উপরে উঠে গিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের দুর্ঘটনা উস্কে দিয়েছে ওড়িশার দুর্ঘটনার স্মৃতি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার তদন্ত জারি রয়েছে।







