নজরবন্দি ব্যুরো: কেটে গিয়েছে ২ দিন। তবে এখনও কাটেনি আতঙ্ক। রীতিমত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শেষ হয়েছে উদ্ধারকাজ। দুর্ঘটনাস্থল থেকে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া কামরাগুলি সরানো হয়েছে। নতুন করে শুরু হয়েছে ট্রেন চলাচল। এদিকে, করমণ্ডলে প্রায় কয়েক হাজার যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওড়িশার হাসপাতালে ভর্তি ১১০০-রও বেশি যাত্রী। সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন অনেকেই। অন্যদিকে, যাদের পরিবারের লোকজনেরা ওই এক্সপ্রেসে ছিলেন, তাদের খোঁজ চালাচ্ছেন অনেকেই।
আরও পড়ুন: রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও বিদেশ যাত্রায় বাধা, বিমানবন্দরে আটকানো হল রুজিরাকে


জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শনাক্ত করা হয়েছে ১৫১টি দেহ। এপ্রসঙ্গে ওড়িশার মুখ্যসচিব এ দিন জানান, বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ২৭৫জনের মধ্যে ১৫১ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এরপর মৃতদের গুলিকে যাবতীয় নিয়ম মেনে পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য বিনামূল্যে শববাহী গাড়ির ব্যবস্থাও করা হবে।

অন্যদিকে, করমণ্ডল বিপর্যয়কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছে রেল। সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, “এখনই এই নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তদন্তের রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত যা যা কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা সব মাথায় রেখেই এই দুর্ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে দেওয়ার সুপারিশ করেছে রেলওয়ে বোর্ড।” যদিওবা এই ঘটনায় কোনও যান্ত্রিক ত্রুটিবিচ্যুতি নয়! বরং করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় মানুষকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রিয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।



প্রসঙ্গত, করমণ্ডলে প্রায় কয়েক হাজার যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওড়িশার হাসপাতালে ভর্তি ১১০০-রও বেশি যাত্রী। সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন অনেকেই। অন্যদিকে, যাদের পরিবারের লোকজনেরা ওই এক্সপ্রেসে ছিলেন, তাদের খোঁজ চালাচ্ছেন অনেকেই। এহেন পরিস্থিতিতে রেল দুর্ঘটনায় আহতদের খোঁজ পেতেই ওড়িশা সরকারের তরফে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আজ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক ঘোষণা করলেন যে, বালেশ্বরের দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি গুরুতর আহত হয়েছেন যারা, তাদের ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
Coromandel Express-র দুর্ঘটনায় শনাক্ত ১৫১টি দেহ, শববাহী গাড়ির ব্যবস্থাও সরকারের








