Coromandel Accident: ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, লাশকাটা ঘরে ‘পরিচয়ের অভাবে’ পচন ধরছে মৃত শরীরে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ওড়িশার ট্রেন দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় আড়াই দিন। বাহানগায় ফের শুরু হয়েছে ট্রেন পরিষেবা। উদ্ধারকার্য শেষে স্বাভাবিক হয়েছে রেল চলাচল ব্যবস্থা। কিন্তু ওড়িশার হাসপাতালগুলির ছবি সম্পূর্ণ আলাদা। দুর্ঘটনায় উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলি সারি সারি সাজানো রয়েছে। অনেক মৃতদেহের এখনও শনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি। এই অবস্থায় উদ্বেগ বাড়াচ্ছে পচন। ক্ষতবিক্ষত দেহ হওয়ায় অতিরক্ত গরমে মৃতদেহগুলিতে পচন ধরতে বেশি সময়েও লাগছে না। পচন ধরলে পরবর্তী সময় কীভাবে হবে শনাক্তকরণ?

আরও পড়ুন: Coromandel বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, কমিটি গড়লেন অভিষেক

ওড়িশা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ১৮২ জনের শনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি। তাঁদেরকে লাশকাটা ঘরে রাখা হয়েছে। দেহগুলির অবস্থা এতটাই খারাপ যে মুখ দেখে চেনার উপায় নেই। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া দেহগুলি কোথায় রাখা হবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। শেষ অবধি দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই একটি ক্লাসরুমে দেহগুলি সাদা চাদরে মুড়ে রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় যে ধ্বংসলীলা চলেছে তার জেরে অধিকাংশ মৃতদেহ কার্যত ছিন্নভিন্ন। গরমের কারণে পচন ধরতে সময় লাগেনি। এরপর দেহ সংরক্ষণ করতে চেম্বার কমার্স ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। গত রবিবার দেহগুলিকে ভুবনেশ্বরের এইমস ও কটক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের
ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের

মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য মৃতের আত্মীয়-পরিজনদের হাসপাতালে আসার অনুরোধ করা হয়েছে। দেহ শনাক্ত করার জন্য নম্বর চালু করা হয়েছে। হাসপাতালের জায়ান্ট স্ক্রিনে ছবি দেখানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মৃতদেহগুলি শনাক্ত করতে হবে। নাহলে দেহগুলি পচে যাবে। এরপর মৃতদেহের পরিচয় জানতে ডিএনএ পরীক্ষাই একমাত্র পথ থাকবে।

ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের
ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের

গত সপ্তাহের শুক্রবার বাল্বশ্বরের বাহানগা স্টেশনের কাছে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, যশবন্তপুর এক্সপ্রেস এবং একটি মালগাড়ির সংঘর্ষ হয়। সংঘাতের অভিঘাত এতটাই বেশি ছিল যে তীব্রতার জেরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস মালগাড়িটির উপরে উঠে যায়। এক্সপ্রেস ট্রেনটির ২১ টি কামরা লাইনচ্যুত হয়। অন্যদিকে যশবন্তপুর এক্সপ্রেসের ৩ টি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে ধ্বংস হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের

ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের
ছিন্নভিন্ন দেহের মুখ চেনা দায়, শনাক্তকরণ বাকি ১৮২ টি দেহের

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর