Home Blog Page 6338

নভেম্বর মাসেই নিজের দল নিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ থালাইভার।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই নিজের দল নিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত, এমনই জানিয়েছেন কারাতে থিয়াগরাজন।সংবাদসংস্থা এএনআইকে কারাতে জানান, ১২ই মার্চ রজনীকান্ত জানিয়ে ছিলেন তিনি একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। কিন্তু করোনার জেরে লকডাউন হয়ে যাওয়ায় সেই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেনি। পিছিয়ে যায় রজনীকান্তের দলের আনুষ্টানিক প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ নিয়োগের দাবিতে বিপ্লবের সুর; ঝাঁঝালো শ্লোগানে ডেপুটেশন উচ্চ প্রাথমিক হবু শিক্ষকদের।

অগাষ্ট মাসে লঞ্চ করার কথা থাকলেও, পরিস্থিতি অনুকূল নয়। তবে এবার জানা গিয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর মাসে দলটি আসছে।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তাহলে কি অংশ নিতে পারেন থালাইভা, প্রশ্নের উত্তরে কারাতে বলেন সময় এর উত্তর দেবে। এর আগে, রজনীকান্ত জানিয়ে দেন, তাঁকে গেরুয়া দলে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।

কিন্তু সেই ফাঁদে তিনি পা দেবেন না। তামিলনাড়ুর বিজেপি নেতা পোন রাধাকৃষ্ণণ রুপোলি পর্দার এই তারকাকে তাঁদের দলে যোগ দিতে আহ্বান জানান । কিন্তু চেন্নাইয়ে সংবাদ মাধ্যম রজনীকান্তের এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তাঁর বক্তব্য, তাঁকে গেরুয়াপন্থী হিসাবে দেখানোর চেষ্টা চললেও এখনও পর্যন্ত তিনি বিজেপির পক্ষ থেকে দলে যোগ দেওয়ার কোনও প্রস্তাব পাননি।

যদিও এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির নেতারা সাফাই দেন, তাঁরা কখনই বলেননি যে রজনীকান্ত তাঁদের দলে যোগ দিচ্ছেন অথবা দিতে চান। এই ধরনের রটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই।তবে সব জল্পনা উড়িয়ে নিজের দল নিয়েই বিধানসভা নির্বাচনে ঝাঁপাবেন দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত বলেই মনে করা হচ্ছে।

সাতসকালে পর পর ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল অসম ও গুজরাত!

Earthquake
Earthquake

নজরবন্দি ব্যুরো: সাতসকালে পর পর ভূমিকম্প, করোনা আবহে দেশে ফের ভূমিকম্প। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল অসম ও গুজরাত। আজ সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটে অসমের করিমগঞ্জ সহ বেশকিছু এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। গুজরাতের রাজকোটে কম্পন অনুভূত হয় সকাল ৭ টা ৪০ মিনিটে।

আরও পড়ুনঃ বাড়তে চলেছে ট্যাক্সি ভাড়া, উঠলেই ৫০ টাকা

সাতসকালে পর পর ভূমিকম্প, অসমে কম্পনের তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.১গুজরাতে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৫। কম্পনের তীব্রতা বুঝতে পেরে স্থানীয়রা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গিয়েছে, গত তিন সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে প্রায় ৮ বারের কাছাকাছি এই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটল। জুলাই মাসের ৮ তারিখ ভারতের বিভিন্ন-প্রান্তে চারটি ভূমিকম্প বোঝা গিয়েছে উত্তর থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত।

কিছুক্ষণের ব্যবধানেই কেঁপেছে একের পর এক রাজ্য। বর্ষা শুরু হতেই বারবার ভূমিকম্পে কাঁপছে দেশের একাধিক অঞ্চল। বলে রাখা ভাল, গত সোমবার রাত ২ টো ১৭ নাগাদ আন্দামানে কেঁপে ওঠে মাটি। রিখটার স্কেল অনুযায়ী ৪.৩ ম্যানিটিউড ভূমিকম্প অনুভব করেছে আন্দামানের দিগলিপুর।

বাঁধভাঙা সংক্রমণ দেশে, সংক্রমিত ১০ লক্ষের কাছাকাছি

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  বাঁধভাঙা সংক্রমণ দেশে, করোনা সংক্রমণের গতি এখন লাগামহীন। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে COVID-19 সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩ হাজারের কাছাকাছি মানুষ। সাড়ে ৯ লক্ষ পেরিয়ে এবার মোট আক্রান্তের সংখ্যা এগোচ্ছে ১০ লক্ষের দিকে।গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে ভাল হয়েছেন ২০ হাজার ৭৮৩জন করোনা রোগী।

আরও পড়ুনঃ ব্যাপক সংক্রমণের কবলে ১০ টি জেলা! দেখুন রাজ্যের জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান।

বাঁধভাঙা সংক্রমণ দেশে! সব মিলিয়ে করোনাকে হারিয়ে এ যাবত্‍ বাড়ি ফিরেছেন নানা বয়সের অন্তত ৬ লক্ষ ১২ হাজার ৮১৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যা হুহু করে বাড়লেও ভারতের আরোগ্যের হার বিশ্বের বেশির ভাগ অঞ্চলের তুলনাতেই বেশি ,মনে করছেন স্বাস্থ্যবিদরা। গতকাল অর্থাত্‍ বুধবার দেশের সব প্রান্তে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩ লক্ষ ২৬ হাজার জনের। এ যাবত্‍ দৈনিক হিসেবে সর্বোচ্চ পরীক্ষা এটাই। করোনার সংক্রমণের ভয়াবহতার মধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যই নতুন করে আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটছে। পশ্চিমবঙ্গে লকডাউনের মেয়াদ পরিধি দুইই বেড়েছে।

অন্য দিকে নতুন করে লকডাউন জারি হয়েছে বিহারে। লকডাউন কর্ণাটকের প্রধান শহর বেঙ্গালুরুতে।ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯ রোগীদের মধ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩.২৪ শতাংশ। সুস্থতা এবং মৃত্যুর অনুপাত হল-৯৬.০৯% : ৩.৯১%। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক বুলেটিনে জানিয়েছে, ২৪,৯১৬ জনের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশে ৪৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশে ৩ জন, অসমে ৪৬ জন, বিহারে ১৮০ জনের, চন্ডীগড়ে ১১ জন, ছত্তিশগড়ে ২০ জন, দাদর ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে, দিল্লিতে মৃত্যু হয়েছে ৩,৪৮৭ জনের, গোয়া ১৮ জন, গুজরাটে ২০৭৯ জনের, হরিয়ানায় ৩১৯ জনের, হিমাচল প্রদেশে ১১ জনের,

জম্মু-কাশ্মীরে ২০৬ জনের, ঝাড়খণ্ডে ৩৮ জনের, কর্ণাটকে ৯২৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন, কেরলে ৩৫ জন, লাদাখে একজন, মধ্যপ্রদেশে ৬৮২ জন, মহারাষ্ট্রে ১০,৯২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, মেঘালয়ে দু’জন, ওডিশায় ৭৭ জনের, পুদুচেরিতে ২১ জন, পঞ্জাবে ২২১ জন, রাজস্থানে ৫৩০ জনের, তামিলনাড়ুতে ২,১৬৭ জন, তেলেঙ্গানায় ৩৮৬ জন, ত্রিপুরায় ৩ জন, উত্তরাখণ্ডে ৫০ জন, উত্তর প্রদেশে ১,০১২ জন এবং পশ্চিমবঙ্গে ১,০০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এক নজরে দেখে নিন কন রাজ্যে আক্রান্ত কত জন।

hh

মাধ্যমিকে ষষ্ঠ স্থানাধিকারী অস্মি চৌধুরিকে সংবর্ধনা DYFI এর

DYFI
DYFI

নজরবন্দিঃ মাধ্যমিকে ষষ্ঠ স্থানাধিকারী অস্মি চৌধুরিকে সংবর্ধনা জানাল ভারতের গনতান্ত্রিক যুব  ফেডারেশন, অশোকনগর লোকাল কমিটি। আজ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অস্মির অশোকনগরের হরিপুরের বাড়িতে পৌঁছয় DYFI। অশোকনগর  লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক তুলে দেন গনতান্ত্রিক যুব  ফেডারেশনের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দীপঙ্কর বনিক।

সাথে উপস্থিত ছিলেন যুব ফেডারেশনের লোকাল কমিটির সদস্যা সুজাতা দাস, সুদীপ বোস,  অরিজিত দত্ত, সুশান্ত দত্ত, রাজেশ দে সহ যুব ফেডারেশনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৮৭ নম্বর পেয়ে সারা রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ  এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম হয়েছে অশোকনগর বানীপীঠ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী অস্মি চৌধুরি। অস্মির বাবা অমিতাভ চৌধুরি বনগাঁ হাই স্কুলের শিক্ষক।

আরও পড়ুনঃ সৌরভের বাড়িতে করোনার থাবা, আক্রান্ত দাদা স্নেহাশিস, সৌরভ সহ গোটা পরিবার কোয়ারেন্টাইনে

মা ভাস্বতী চৌধুরি শ্রী চৈতন্য কলেজের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপিকা। অস্মির দাদু অধ্যাপক প্রেমতোষ হালদার ছিলেন শ্রী চৈতন্য কলেজের অধ্যাপক।ছোটো থেকেই দাদুর বাড়িতেই বড় হয়ে ওঠা অস্মির। অস্মি জানায় “পড়াশোনার অনুপ্রেরণা তার মাসি শাশ্বতী হালদারের কাছেই”। বাবা, মা, দাদু সকলেই শিক্ষক,তাও আগামী দিনে একজন চিকিৎসক হতে চায় অশোকনগরের গর্ব অস্মি। চিকিৎসক হয়ে গরিব মানুষের সেবা করার স্বপ্ন বুকে নিয়েই এগিয়ে চলেছে অস্মি। প্রসঙ্গত মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থীর নাম নথিভুক্ত ছিল ১০,১৭,২৬১।

কিন্তু পরীক্ষা দেয় ১০,০৩,৬৬৬ জন। পাশ করেছে ৮,৪৩,৩০৫ জন। পাশের হার ৮৬.৩৪ শতাংশ। পাশের হারে রেকর্ড হয়েছে এবার। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মেয়েদের বেশি হলেও পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। ছেলেদের পাশের হার ৮৯.৮৭ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার ৮৩.৪৮ শতাংশ। এবারের মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় প্রথম দশে রয়েছে ৮৪ জন।পাশের হারে সবার আগে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলায় পাশের হার ৯৬.৫৯ শতাংশ। তারপরে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর। এই জেলায় পাশের হার ৯২.১৬ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। সেখানে পাশের হার ৯১.০৭ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯০.৬০ শতাংশ, উত্তর ২৪ পরগনায় ৯০.০৫ শতাংশ, হুগলিতে ৮৮.৫৭ শতাংশ, হাওড়ায় ৮৭.৬৩ শতাংশ, ও ঝাড়গ্রামে ৮৬.৪৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। 

ভারতে ৯৯ চিকিৎসকের মৃত্যু করোনায়! ভ্যাকসিনের সুখবর দিলেন ট্রাম্প। #MidnightBreaking

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতে ৯৯ চিকিৎসকের মৃত্যু করোনায়! ভ্যাকসিনের সুখবর দিলেন ট্রাম্প। দেশ জুড়ে দূর্বার গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। লকডাউন হালকা করার পরেই দেশজুড়ে দ্রুত গতিতে ছড়াতে শুরু করেছে এই মারন ভাইরাসের সংক্রমণ। করোনা ভাইরাসের কবল থেকে মুক্তি যে সহজে মিলবে না তা বলে দিচ্ছে পরিসংখ্যান। গত কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ সংক্রামিত হচ্ছেন এই ভাইরাসে।

আরও পড়ুনঃ কোভিড যোদ্ধার মৃত্যু হলে চাকরি পাবেন পরিবারের ১ জন। ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর।

ভারতে ৯৯ চিকিৎসকের মৃত্যু করোনায়! দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লক্ষ ৭০ হাজার ১৭৯ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ লক্ষ ১৩ হাজার ৭৩৫ জন। এখন দেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ১১৬ জন। দূর্ভাগ্যের বিষয় দেশে মৃত্যু হয়েছে এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার ৯২৯ জনের। দেশের এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার জন চিকিৎসক, যাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন ৯৯ জন। বুধবার এ কথা জানিয়েছে ইন্ডিয়ার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮ জন বিএসএফ জওয়ান। এই ৬৮ জন জওয়ান কে নিয়ে বিএসএফ-এ মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ হাজার ৯৩ জন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৬০ জন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। এবং চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ হাজার ২৪ জন। পাশাপাশাই আজ ৩৫ জন আইটিবিপি জওয়ান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যা নিয়ে  মোট ৭০৪ জন আইটিবিপি জওয়ান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৫৬ জন এবং চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৪৮ জন জওয়ান।

অন্যদিকে তাতপর্যপূর্ণ ভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম একটি ট্যুইট করেছেন এদিন। তিনি ট্যুইটে শুধু লিখেছেন ভ্যাকসিনের সুখবর! ের বেশি কিছুই লেখেন নি তিনি। তাঁর এই ট্যুইট জ্বল্পনা বাড়িয়েছে তাহলে কি আমেরিকা করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন প্রস্তুত করে ফেলেছে!

বাউল জগতে ছন্দপতন, প্রয়াত লোকশিল্পী তন্ময় মজুমদার।

বাউল জগতে ছন্দপতন

প্রবাল চক্রবর্তীঃ বাউল জগতে ছন্দপতন, বলিউডের ঢক্কানিনাদের মধ্যেই মাত্র ছত্রিশ বছর বয়সেই নিঃশব্দে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অসাধারন প্রতিভাধর লোকশিল্পী বাউল তন্ময় মজুমদার। বাঁকুড়ার অখ্যাত লোখেশোল গ্রামের এক অনটনক্লিষ্ট সঙ্গীতপ্রেমী পরিবারের ছোট ছেলে তন্ময় নিতান্ত শৈশবে তালিম শুরু করেন তাঁর বাবার কাছেই। একদিকে একে একে তবলা, হারমোনিয়ামে জমে উঠতে থাকে অপরদিকে দীর্ঘ বারো বছর ধরে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা করেন এক পরিচিত শিক্ষকের কাছে।

আরও পড়ুনঃ সৌরভের বাড়িতে করোনার থাবা, আক্রান্ত দাদা স্নেহাশিস, সৌরভ সহ গোটা পরিবার কোয়ারেন্টাইনে

মাত্র ছয় বা সাত বছর বয়স থেকেই তন্ময় তাঁর বাবার সঙ্গে মঞ্চে পরিবেশন শুরু করেন। যৌবনের শুরুতেই শুরু হয় লোকসংগীত শিক্ষা। তাও প্রথমে মূলত বাবার হাত ধরেই। এরপর বিশ্ববিখ্যাত সাধনদাস বৈরাগ্য ও ভজনদাস বৈরাগ্যর হাটগোবিন্দপুর, আমরুল ও কেন্দুলির “মনের মানুষ” আশ্রমে থেকে তালিম নিয়েছেন লোকসঙ্গীত এবং দোতারা বাদনের।

(বাউল জগতে ছন্দপতন, প্রয়াত বাউল তন্ময় মজুমদার।) তন্ময়ের অমর্ত্য দোতারা বাদনের অদ্বিতীয়তার চাবিকাঠি ছিল তাঁর সুদীর্ঘ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের শিক্ষা। বিশেষত দরবারী কানাড়া ছিল তাঁর প্রাণের কাছের রাগ। বহু মহাজনী পদে এই দরবারী কানাড়ার অনবদ্য প্রয়োগ তাঁর বাদনকে দিয়েছে অবিস্মরণীয় স্বকীয়তা। জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও অস্ট্রিয়ায় তাঁর দোতারা বাদন ও কণ্ঠসঙ্গীত স্মরণীয় হয়ে থাকবে বহুকাল। ভারতের বহু রাজ্যেও অনুষ্ঠান করেছেন তন্ময়। অথচ এলিটিজম কোনও কালেই বাসা বাঁধেনি তাঁর মননে।

গ্রামবাংলার মাঠপ্রান্তরে অনুষ্ঠিত নিতান্ত অনাড়ম্বর মাটিজ সাধুসঙ্গেও সর্বদা দেখা মিলতো এই ক্ষণজন্মা শিল্পীর।” বাংলা গানের জগৎ ” সহ বেশ কিছু অতিজনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলের চিরবঞ্চিত মূলধন তন্ময় মজুমদার আজ তাঁর বৃদ্ধ, সংগীতজ্ঞ পিতা, দুই শিশু, মা, স্ত্রী, ও প্রতিবন্ধী দাদাকে ফেলে রেখে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন। আঞ্চলিক ভাষায় গুটিকতক সিনেমা করা বলিউডি ” তারকা ” র আত্মহত্যায় যখন রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়ের সমতুল অশ্রুবন্যায় ভেসে যায় সামাজিক মাধ্যম, তখন এই বাংলার প্রকৃত প্রতিভাবান লোকশিল্পী নীরবে “তারা ” হয়ে গেলেন চিরতরে।

তন্ময়ের মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন সাধনদাস বৈরাগ্য, মাকি কাজুমি, লোকশিল্প লোকগানের পৃষ্ঠপোষক তথা শিক্ষক শ্রী বিভাস রায়, ফকির সাদেক আলি সহ দুই বাংলার সহস্র গুনমুগ্দ্ধ।বাউল জগতে ছন্দপতন ঘটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেও তন্ময় তাঁর অননুকরণীয় সঙ্গীত প্রতিভার জন্য সুধীজনের মনের মনিকোঠায় অমরত্ব লাভ করবেন।

সৌরভের বাড়িতে করোনার থাবা, আক্রান্ত দাদা স্নেহাশিস, সৌরভ সহ গোটা পরিবার কোয়ারেন্টাইনে

নজরবন্দি ব্যুরো: আগের টা গুজব ছিল কিন্তু এবার সত্যি হল। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন সৌরভের দাদা স্নেহাশিস। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাঁর। জুনের গোড়ার দিকে সৌরভের বউদির করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল।

এমনকী তাঁর দাদার ও শ্বশুর-শাশুড়িও নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানা যায়। তবে স্নেহাশিস সুস্থই ছিলেন।কিন্তু এবার ভয়ের হল স্নেহাশিস সম্প্রতি সৌরভের  বা অন্য কার সংস্পর্শে এসেছিলেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ করোনার দুর্বার গতি রাজ্যে আজ আক্রান্ত ১৫৮৯, মৃত বেড়ে ১০০০ #Exclusive

তবে গত ৮ জুলাই-ই দাদার জন্মদিন ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সকলে এবা সোনা যাচ্ছে সৌরভ, স্ত্রী ডোনা, মেয়ে সানা, মা-সহ গোটা পরিবারকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।উল্লেখ্য কিছু দিন আগে স্নেহাশিসের স্ত্রী করোনাতে আক্রান্ত হন, তখন সবাই সুস্থ ছিল, কিন্তু এবার স্নেহাশিস নিজে আক্রান্ত হলেন। এছারাও প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষিরতন শুক্লার স্ত্রীও আক্রান্ত হয়েছিলেন। ফলে  উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যা।

বাড়তে চলেছে ট্যাক্সি ভাড়া, উঠলেই ৫০ টাকা

taxi
taxi

নজরবন্দি ব্যুরো: এবার নিজেরাই ট্যাক্সির ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করল ট্যাক্সি মালিক সংগঠনগুলি। আগামী ১ আগস্ট থেকে ট্যাক্সিতে উঠলেই ৫০ টাকা। হুঁশিয়ারি দিয়ে জানাল বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন।

আরও পড়ুনঃ সৌরভের বাড়িতে করোনার থাবা, আক্রান্ত দাদা স্নেহাশিস, সৌরভ সহ গোটা পরিবার কোয়ারেন্টাইনে

দাবি, সরকার সিদ্ধান্ত না নিলে এই ভাড়াতেই চালানো হবে ট্যাক্সি। তারপর প্রতি কিমিতে ভাড়া ২৫ টাকা ধার্য করা হবে। বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বিমল গুহ জানান, ১ আগস্ট থেকে ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ডিজেলের দাম মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছে। এর পর আর পুরনো ভাড়াতে গাড়ি চালান যাচ্ছে না।

এদিন চারটি সংগঠন বৈঠকে বসে এই ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, এভাবে ভাড়া বাড়ানোর মানে কী, যেখানে ট্যাক্সিচালকরা কোনওদিনই মিটারে যেতে চান না। ভাড়ার নামে যেমন খুশি জুলুমবাজি চলছেই।

লকডাউনের সময় তা আরও বেড়েছে। যাত্রী প্রত্যাখ্যান তো রোজকার ঘটনা। ফলে সরকারের এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পরিবহন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এভাবে যাত্রীভাড়া বাড়ানো বেআইনি। সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রশ্মিতার রশ্মি ছড়িয়ে পড়লো জঙ্গল-মহলে।

Rasmita

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রশ্মিতার রশ্মি ছড়িয়ে পড়লো জঙ্গলমহলে, উদ্ভাসিত বাঁকুড়া। এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৮৮ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান আধিকার করলো রশ্মিতা সিংহ মহাপাত্র। রশ্মিতা এবার দক্ষিণ বাঁকুড়ার বিক্রমপুর রাধা-দামোদর উচ্চবিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রাম কল্ল্যাচা থেকে এই ফল করায় তার গ্রামের মানুষ খুবই আনন্দিত।

আরও পড়ুনঃ কোভিড যোদ্ধার মৃত্যু হলে চাকরি পাবেন পরিবারের ১ জন। ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর।

রশ্মিতা মেয়েদের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এই কৃতিত্বের জন্য তার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠীদের পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দারা খুবই খুশি। রশ্মিতার এবার লক্ষ্য হল উচ্চমাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করা।পরবর্তীকালে সে বড়ো হয়ে মানুষের জন্য কিছু করতে চায় তা সে চিকিৎসক হিসেবেই হোক বা গবেষক হিসেবেই হোক।প্রধান শিক্ষক অর্ধেন্দু দন্ডপাট বলেন,- রশ্মিতার পাশাপাশি বিক্রমপুর রাধা-দামোদর উচ্চবিদ্যালয় থেকে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভালো ফল করেছে।

তারা অনেকেই মেধাতালিকার কাছাকাছি গিয়েও চুড়ান্ত তালিকায় আসেনি। তাদের সবার জন্য আমাদের শুভকামনা রইল। ভবিষ্যতে তারা বড় হয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে। দেবাঞ্জন সিংহ মহাপাত্র -৬৮২, আবীর ব্যানার্জি -৬৭৮, সায়ন সৎপতি-৬৭৪, অঙ্কিতা পাত্র-৬৬৯ -রা ভবিষ্যতের মেধা তালিকাতে স্থান পাবে।

রশ্মিতার রশ্মি ছড়িয়ে পড়লো জঙ্গলমহলে, উদ্ভাসিত বাঁকুড়া। বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষক রামস্বরূপ নায়ক বলেন – “রশ্মিতা, দেবাঞ্জন এরা শুধু পড়াশোনাতেই নয়, কুইজ, বিজ্ঞান বিষয়ক মডেল তৈরিতে জেলা স্তরে সবার নজরে আসে। ‘ডাকঘর’ নাটকে অমলের ভুমিকায় অভিনয় করে রশ্মিতা সবার মন জয় করেছে। এরা আমাদের শুধু ছাত্র -ছাত্রী নয় এরা আমাদের গর্ব। এদের সবার জন্য শুভেচ্ছা রইলো।

কোভিড যোদ্ধার মৃত্যু হলে চাকরি পাবেন পরিবারের ১ জন। ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর।

Mamata Banerjee

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোভিড যোদ্ধার মৃত্যু হলে চাকরি পাবেন পরিবারের ১ জন। রাজ্যে হুহু করে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। সংক্রমণের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছেন না কেউই। গত পরশু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন রাজ্যের অন্যতম কোভিড যোদ্ধা দেবদত্তা রায়। এই প্রসঙ্গেই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ করোনার দুর্বার গতি রাজ্যে আজ আক্রান্ত ১৫৮৯, মৃত বেড়ে ১০০০

উল্লেখ্য আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৮৯ জন! নতুন ১ হাজার ৫৮৯ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৪২৭ জন।পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ২০ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০০।

রাজ্যের এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে আছেন অনেক করোনা যোদ্ধাও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত রাজ্যে  ২৬৮ জন পুলিশকর্মী, ৩০ জন চিকিৎসক, ৪৩ জন নার্স এবং ২ জন সরকারি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন মারন করোনা ভাইরাসে। মোট সংখ্যাটা হল ৪১৫ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪০৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের।

কোভিড যোদ্ধার মৃত্যু হলে চাকরি পাবেন পরিবারের ১ জন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন সর্বস্তরের করোনা যোদ্ধা অর্থাৎ তিনি আধিকারিক হোন বা সিভিক ভলেন্টিয়ার, কেউ যদি করোনা ভাইরাসের কারনে মারা যান তাহলে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারের একজন কে চাকরি দেওয়া হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ১৩ টি জেলা থেকে চিহ্নিত করা কোভিড যোদ্ধাদের প্রত্যেককে সাম্মানিক মেডেল ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন কোন কোভিড যোদ্ধা মারা গেলে তাঁর পরিবার ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবে এবং আক্রান্ত হলে পারে ১ লক্ষ টাকা। এদিন সেই ঘোষণার সাথে যুক্ত হল চাকরি এবং সাম্মানিক মেডেল ও সার্টিফিকেট।