নজরবন্দিঃ মাধ্যমিকে ষষ্ঠ স্থানাধিকারী অস্মি চৌধুরিকে সংবর্ধনা জানাল ভারতের গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন, অশোকনগর লোকাল কমিটি। আজ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অস্মির অশোকনগরের হরিপুরের বাড়িতে পৌঁছয় DYFI। অশোকনগর লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক তুলে দেন গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দীপঙ্কর বনিক।
সাথে উপস্থিত ছিলেন যুব ফেডারেশনের লোকাল কমিটির সদস্যা সুজাতা দাস, সুদীপ বোস, অরিজিত দত্ত, সুশান্ত দত্ত, রাজেশ দে সহ যুব ফেডারেশনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৮৭ নম্বর পেয়ে সারা রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম হয়েছে অশোকনগর বানীপীঠ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী অস্মি চৌধুরি। অস্মির বাবা অমিতাভ চৌধুরি বনগাঁ হাই স্কুলের শিক্ষক।


আরও পড়ুনঃ সৌরভের বাড়িতে করোনার থাবা, আক্রান্ত দাদা স্নেহাশিস, সৌরভ সহ গোটা পরিবার কোয়ারেন্টাইনে
মা ভাস্বতী চৌধুরি শ্রী চৈতন্য কলেজের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপিকা। অস্মির দাদু অধ্যাপক প্রেমতোষ হালদার ছিলেন শ্রী চৈতন্য কলেজের অধ্যাপক।ছোটো থেকেই দাদুর বাড়িতেই বড় হয়ে ওঠা অস্মির। অস্মি জানায় “পড়াশোনার অনুপ্রেরণা তার মাসি শাশ্বতী হালদারের কাছেই”। বাবা, মা, দাদু সকলেই শিক্ষক,তাও আগামী দিনে একজন চিকিৎসক হতে চায় অশোকনগরের গর্ব অস্মি। চিকিৎসক হয়ে গরিব মানুষের সেবা করার স্বপ্ন বুকে নিয়েই এগিয়ে চলেছে অস্মি। প্রসঙ্গত মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থীর নাম নথিভুক্ত ছিল ১০,১৭,২৬১।
কিন্তু পরীক্ষা দেয় ১০,০৩,৬৬৬ জন। পাশ করেছে ৮,৪৩,৩০৫ জন। পাশের হার ৮৬.৩৪ শতাংশ। পাশের হারে রেকর্ড হয়েছে এবার। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মেয়েদের বেশি হলেও পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। ছেলেদের পাশের হার ৮৯.৮৭ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার ৮৩.৪৮ শতাংশ। এবারের মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় প্রথম দশে রয়েছে ৮৪ জন।পাশের হারে সবার আগে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলায় পাশের হার ৯৬.৫৯ শতাংশ। তারপরে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর। এই জেলায় পাশের হার ৯২.১৬ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। সেখানে পাশের হার ৯১.০৭ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯০.৬০ শতাংশ, উত্তর ২৪ পরগনায় ৯০.০৫ শতাংশ, হুগলিতে ৮৮.৫৭ শতাংশ, হাওড়ায় ৮৭.৬৩ শতাংশ, ও ঝাড়গ্রামে ৮৬.৪৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে।











