নিয়োগের দাবিতে বিপ্লবের সুর; ঝাঁঝালো শ্লোগানে ডেপুটেশন উচ্চ প্রাথমিক হবু শিক্ষকদের।

নিয়োগের দাবিতে বিপ্লবের সুর; ঝাঁঝালো শ্লোগানে ডেপুটেশন উচ্চ প্রাথমিক হবু শিক্ষকদের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগের দাবিতে বিপ্লবের সুর; রাজ্য জুড়ে ডেপুটেশন উচ্চ প্রাথমিক হবু শিক্ষকদের। সাত বছরের নিয়োগ বঞ্চনার প্রতিবাদ, মেধা তালিকায় একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগে বাড়িতে থেকেই পোস্টার, দেওয়াল লিখন এবং লাইভ ভিডিও কর্মসূচী। শেষে গাছ লাগানো এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনে গেজেট গণ ইমেলের পর পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক, মন্ত্রী, মেয়র, পুরসভার চেয়ারম্যান এবং সাংসদের কাছেই তাঁদের করুন অবস্থার কথা তুলে ধরা হবে।

আরও পড়ুনঃ স্কুলে ভর্তির নতুন নিয়মের কথা জানালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়!

ইতিমধ্যেই, রাজ্যের একাধিক বিধায়কের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা।যেমন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা দাপুটে নেত্রী মৌসম বেনজির নুর, রাজ্যের মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা,  দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ, তুফানগঞ্জের বিধায়ক ফজল করিম, জঙ্গিপুর লোকসভার সাংসদ খালিলুর রহমান, ইটাহারের বিধায়ক অমল আচার্য্য, প্রাক্তন বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন, মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ আবু তাহের খান, কালিয়াগঞ্জ এর বিধায়ক তপন দেবসিংহ, সাগর বিধানসভা বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ ও গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা, সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মাননীয় মন্টু রাম পাখিরা।

সাবস্ক্রাইব করুন নজরবন্দির ইউটিউব চ্যানেল।

নিয়োগের দাবিতে বিপ্লবের সুর; জন প্রতিনিধিদের পাশাপাশি DI অফিস কর্মসূচি ডেপুটেশন কর্মসুচী নেওয়া হয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে। ৮ ই জুলাই আলিপুরদুয়ার জেলা DI অফিস ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। ১০ জুলাই কোচবিহার জেলা DI অফিসে ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। ১৪ জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুর DI অফিস ডেপুটেশন দেওয়া হয় এবং আজ ১৫ জুলাই মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলা DI অফিস অতি দ্রুত আপার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দাবিতে ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। ডেপুটেশন দিতে শত শত উচ্চপ্রাথমিক চাকরি মিছিল করে ডি আই অফিসে যান এদিন। তাঁদের স্লোগানে ছিল আর্তনাদ আর সাথে ছিল বঞ্চনার বিরুদ্ধে ঝাঁঝালো প্রতিবাদের সুর।

মঞ্চের দাবি, দীর্ঘ ছয় বছরের আন্দোলন ও আইনি প্রক্রিয়ার পর কমিশন ৪ঠা অক্টোবর ২০১৯ যে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করেছে তাতেও বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। প্রায় বারো হাজার চাকরি প্রার্থী কমিশনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান। পাশাপাশি অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হন। মঞ্চের অভিযোগ মেধাতালিকায় ইন্টারভিউ দেওয়া সকল প্রার্থীর নাম নেই। টেট ও অ্যাকাডেমিক স্কোরেও রয়েছে বিস্তর অসঙ্গতি। ইন্টারভিউতে ডাকার ক্ষেত্রে শূন্যপদ ও প্রার্থীর ১ : ১.৪ রেশিও মানা হয়নি। নিয়োগ বিধিতে ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত শূণ্যপদ আপডেটের কথা থাকলেও সাত বছরের শুণ্যপদ তেমন বাড়েনি বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা কমে গেছে। এমনকি নব স্হাপিত বিদ্যালয় গুলির অনুমোদিত ৫১০৮ টি শূন্যপদও ফাইনাল ভেকেন্সিতে যুক্ত হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *