Home Blog Page 6359

সচিন, সৌরভদের পর এবার স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ বিরটের বিরুদ্ধে

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতীয় ক্রিকেটে ফের স্বার্থ সংঘাতের মতো গুরুতর অভিযোগ। অতীতে ভারতীয় ক্রিকেটের দিকপাল সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ কিংবা কপিল দেব প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ এসেছিল। কিন্তু একটিও ধোপে টেকেনি। এবার বিরোট কোহলির বিরুদ্ধে উঠল স্বার্থের সঙ্ঘাতের অভিযোগ। যা  খতিয়ে দেখছেন বোর্ডের এথিক্স অফিসার ডি কে জৈন।

ভারতীয় দলের অধিনায়কের পাশাপাশি বিরাট একটি বাণিজ্যিক সংস্থার ডিরেক্টর। যে সংস্থা অন্য একটি ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত। এবং সেই সংস্থার বোর্ডে নাকি কয়েকজন ভারতীয় ক্রিকেটার রয়েছেন। সঞ্জীব গুপ্ত নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, বিরাটের এই একাধিক পদে থাকাটা স্বার্থের সঙ্ঘাত। কোহালি যদিও এই সংস্থায় যুক্ত নন। সঞ্জীব গুপ্ত বলেছেন, ‘কোহালি দুটো পদে আছেন।

যা সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা অনুমোদিত বোর্ডের ৩৮(৪) ধারাকে সরাসরি লঙ্ঘন করছে। তাই অবিলম্বে কোনও একটা পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত তাঁর।’ এই বিষয় নিয়ে ডি কে জৈন পিটিআইকে বলেছেন, “আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। আমি এটি যাচাই করে দেখব এবং মামলাটি তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখবো। যদি সত্যি হয়, তবে তাকে (কোহলি) এর প্রতিক্রিয়া জানাতে আমাকে একটা সুযোগ দিতে হবে।” গত মাসে এক বছরের মেয়াদ বাড়ানোর পর থেকে জৈন এটি প্রথম হাই প্রোফাইল অভিযোগ পেয়েছেন।

চাকরীর প্রথম বছরে, জৈন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলি, ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং কপিল দেবের বিরুদ্ধে স্বার্থ সংঘাত অভিযোগের সমাধান করেছিলেন। এই সমস্ত অভিযোগ গুপ্তের কাছ থেকেই এসেছিল এবং অভিযোগগুলি “অবজ্ঞাপূর্ণ” হওয়ার আগে আইকনিক প্রাক্তন খেলোয়াড়দের একটি পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। বিসিসিআইয়ের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন যে লোধা কমিটি দ্বারা নির্ধারিত স্বার্থ সংঘাতের রীতিনীতিগুলি অবাস্তব।

নবদ্বীপে বিজেপিতে ভাঙন; কয়েকশো গেরুয়া সমর্থক যোগ দিলেন তৃণমূলে

bjp member join tmc
bjp member join tmc

নজরবন্দি ব্যুরো: আমফানে ত্রাণ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ এনেছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে বিজেপি শিবিরে বড় রকমের ভাঙন ধরিয়ে দিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।

রবিবার সন্ধেয় নবদ্বীপ ব্লকের মহিশুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গদখালী, মালিতাপাড়ায় তৃণমূলের এক সভায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন শতাধিক বিজেপি সমর্থক। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মহিশুরা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আকমল সর্দার।

ওই পঞ্চায়েতের রতন চৌধুরীর নেতৃত্বে এদিন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে নাম লেখান ওইসব লোকজন। তৃণমূলের পতাকা তুলে নিয়ে প্রাক্তন বিজেপি কর্মী রতন চৌধুরী বলেন, এখানের প্রায় সবাই কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। বিজেপিতে ছিলাম অনেক আশা ভরসা নিয়ে। কিন্তু বাস্তবে দেখলাম উল্টো। রাজ্য জুড়ে ক্রমশ অস্থিরতা সৃষ্টি করে চলেছে এই রাজ্যের বিজেপি নেতারা। তাই মা মাটি মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের শরিক হতেই আমরা তৃণমূলে নাম লেখালাম।

হোয়াটসঅ্যাপে হচ্ছে না ক্লাস, ক্ষোভে ফুঁসছেন গড়িয়ার অভিভাবকরা।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গড়িয়ার লস্করপুর বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠে গোটা লকডাউন পিরিয়ডে হয়নি একটিও হোয়াটস অ্যাপ ক্লাস। সঙ্গতভাবেই মারাত্মক ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। বিশেষত, দশম শ্রেণীর ছাত্ররা ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বলে মনে করছেন অভিভাবকদের একটি বড় অংশ।

রংকল নিবাসী স্বাধীন দাস বলেন, “আমার ছেলেটা গত তিনমাসে স্কুল থেকে একটিও ক্লাস পেলো না, ও মাধ্যমিকে ফেল করলে কে দায়ী থাকবে?” সরলদীঘির পূর্ণিমা নস্কর বলেন, “বোড়াল হাই স্কুল, হরিমতি, বরদাপ্রসাদ, খানপুর, নাকতলা, সর্বত্রই চলছে হোয়াটস্যাপ ক্লাস, শুধু এঁদেরই কোনও উদ্যোগ নেই ” রামকৃষ্ণ পল্লীর স্বপ্না দে বলেন ” হেড্মাস্টারকে ফোন করেছিলাম, বললেন ” আমাদের স্কুলের সেই পরিকাঠামো নেই, আচ্ছা, এই প্রক্রিয়ায় স্কুলের কী পরিকাঠামো দরকার? শিক্ষক এবং ছাত্রের স্মার্টফোন থাকলেই তো হয় “।

প্রধানশিক্ষক নন্দন চৌধুরীকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের প্রতিবেদককে জানান ,”আমাদের স্কুলের সেই পরিকাঠামো নেই ” স্কুলের ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক অসীম রায় ফোনে জানান, “এমন কোনও সরকারী অর্ডারের কথা আমার জানা নেই “

স্কুলের জীবনবিজ্ঞান শিক্ষক সৌমিক গোস্বামী প্রতিবেদককে জানান ” হোয়াটস্যাপ এ শিক্ষাদান বাধ্যতামূলক, এই মর্মে কোনও G. O. হাতে পাইনি, তাছাড়া, এসব ব্যবস্থাপনা স্কুল কর্তৃপক্ষের হাতে, প্রধানশিক্ষক এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানান নি।”দশম শ্রেণীর ছাত্র সুবোধ সেন ( নাম পরিবর্তিত ) বলে ” বহুবার স্যারদের অনুরোধ করলেও কোনও সুরাহা হয়নি”

সোনারপুর রাজপুর পৌরসভার অন্তর্গত এই স্কুলের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ অভিভাকরা জানিয়েছেন, তাঁরা প্রধানশিক্ষকের কাছে শতাধিক অভিভাবকের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি অবিলম্বেই দেবেন l ” তাতেও টনক না নড়লে আমরা রাজনৈতিক নেতামন্ত্রীদের দ্বারস্থ হবো, সামনেই পৌরভোট, মাস্টাররা ভোটার না হলেও আমরা কিন্তু ভোটার ” বলছেন আর এক অভিভাবক নতুন হাটের জয়নাল মিদ্দে।

এবার ফুটবল প্রশাসক রুপে আত্মপ্রাকাশ করতে চলেছেন মহারাজ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্রিকেটের পর এবার সরাসরি ফুটবল প্রশাসকের চেয়ারেও বসতে চলেছেন ফুটবলপ্রেমী সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় । সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটিকে-মোহনবাগানের বোর্ড অফ ডিরেক্টরে থাকতে চলেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আসন্ন মরসুমে আইএসএল খেলতে এটিকের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে মোহনবাগান। এরপর সংযুক্ত দুই ক্লাবকে নিয়ে কলকাতা গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস গ্রাইভেট লিমিটেড নামে কোম্পানি গঠন হয়েছে।

সেই সঙ্গে সংযুক্ত দুই ক্লাবের কর্তাদের নিয়ে নতুন বোর্ড গঠনও হয়েছে। সেই বোর্ডেই বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থাকতে চলেছেন বলে সুত্রের খবর। ১০ তারিখে প্রথম বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সভা বসছে। যদিও সেই সভা হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। সেই সভাতেও তিনি উপস্থিত থাকবেন। নানান পরামর্শ থাকবে কলকাতা মহারাজের। শুধু সৌরভ নন, নতুন বোর্ডের শীর্ষপদে আসতে চলেছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কাও।

এতদিন তিনি ছিলেন কোম্পানির কর্ণধার ঠিকই। কিন্তু বোর্ড অব ডিরক্টর্সে ছিলেন না। তিনি বাইরে থেকে সবকিছু পরিচালনা করতেন। বোর্ড অব ডিরক্টর্সের শীর্ষে আসবেন বলে তিনি নাকি সম্মতি দিয়েছেন। আসলে মোহনবাগানের সঙ্গে তাঁর একপ্রকার নাড়ির টান রয়েছে। তাঁর বাবা ছিলেন মোহনবাগানের সদস্য।

ছোট বয়সে দু’একবার বাবার হাত ধরে মোহনবাগান মাঠে এসে তিনি নিজে খেলা দেখেছেন। তাই তাঁর কাছে মোহনবাগান হল একটা আবেগ। সেই আবেগকে দূরে সরিয়ে থাকতে পারেননি। তাই তিনিও থাকছেন।

আবার ডিজিটাল স্ট্রাইক, এবার এক সাথে ৪০টি ওয়েবসাইট বন্ধ করলো কেন্দ্র

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত সপ্তাহেই একধাক্কায় ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছিল ভারত সরকার। এবার কোপ পড়ল একগুচ্ছ ওয়েবসাইটে। যদিও চিনের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। রবিবারই একথা ঘোষণা করা হয়েছে।

‘শিখ ফর জাস্টিস’ নামে একটি খালিস্তানপন্থী গ্রুপের বিরুদ্ধে এই অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। মূলত আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডার কিছু শিখ সম্প্রদায়ের সদস্য এই ওয়েবসাইটগুলি চালাত।

কারা এই শিখ ফর জাস্টিস? ২০০৭ সালে তৈরি হয় এই গ্রুপ। মূলত মার্কিন মুলুকে থাকা শিখরাই এই গ্রুপটি বানিয়েছিলেন। স্বাধীনতার দাবি তুলে ভারত থেকে পাঞ্জাবকে আলাদা করতে উসকানিও দিয়ে থাকে এই গ্রুপ। সেই কারণেই এর ৪০টি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হল। এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “বেআইনি কার্যকলাপ সুরক্ষা আইন অনুযায়ী শিখ ফর জাস্টিস একটি বেআইনি সংগঠন। সমর্থক জোগাড় করতে নানা ধরনের প্রচার চালায় এরা।

সেই কারণেই তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৬৩ এ নম্বর ধারায় এদের ৪০টি ওয়েবসাইট ব্লক করে দেওয়া হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের যৌথ সুপারিশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

অর্ধেকের কম টেস্টেই রাশিয়া কে টপকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে ভারত!

modi

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার তাণ্ডব দেশজুড়ে, রাশিয়া কে টপকে বিশ্বের তৃতীয় স্থান দখল করল ভারত! আগামী ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা জারি থাকলেও গত ১ মাস ধরেই কার্যত লকডাউনের অস্তিত্ব নেই দেশে। রাস্তা ঘাটে চায়ের দোকানে চলছে স্বাভাবিক আড্ডা! সেই আড্ডার আবার অনেকখানি অংশ জুড়ে থাকে করোনা ভাইরাস। কিন্তু কোন অজানা কারনে করোনা ভাইরাসের প্রতি সমীহ কমছে দেশের মানুষের, কমছে সচেতনতা। ফলে ক্রমেই থাবা বসাচ্ছে কোভিড ১৯ নামক এই মারন ভাইরাস।

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছেন এখন পর্যন্ত ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৮০ জন। এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৪ লক্ষ ৮২ হাজার ২৬৮ জন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এই মারন ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এখন পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৬২ জন। আরও দুঃখজনক বিষয় হল বিশ্বজুড়ে এখন চিকিৎসাধীন রোগীর মধ্যে সংকটজনক অবস্থায় রয়েছেন ৫৮ হাজার ৪৫৭ জন।

বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক আক্রান্ত এবং মৃত্যু হয়েছে আমেরিকাতে। সেখানে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ লক্ষ ৫২ হাজার ১৭১, যার মধ্যে মারা গিয়েছেন ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৩৭৮ জন। তবে আমেরিকাতে করোনা ভাইরাসের টেস্ট হয়েছে ব্যাপক ভাবে। এখন পর্যন্ত ৩৩ কোটি ১০ লক্ষ জনসংখ্যার আমেরিকায় টেস্ট হয়েছে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ ৭২ হাজার ২৭২ জনের। যার প্রতি দশ লক্ষ জনগন পিছু ১ লক্ষ ১১ হাজার ৯৯৩!

আমেরিকার পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল, ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৩৭৬, এই বিপুল আক্রান্তের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬৪ হাজার ৩৬৫ জনের। ব্রাজিল সরকার এখন পর্যন্ত সে দেশের ২১ কোটি ২৫ লক্ষ জনগনের মধ্যে টেস্ট করতে সক্ষম হয়েছে ৩৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৫৬২ জনের। যা দেশের প্রতি ১০ লক্ষ জনগন পিছু ১৫ হাজার ৬৬৮।

এদিকে আজ রাশিয়াকে টপকে বিশ্বের তৃতীয় স্থান দখল করেছে ভারত, রাশিয়াতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৬ লক্ষ ৮১ হাজার ২৫১ জন। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ১৬১ জনের। রাশিয়ার মোট জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৫৯ লক্ষ। এই দেশে এখন পর্যন্ত টেস্ট হয়েছে ২ কোটি ১০ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৫৭ জনের। যা দেশের প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যা পিছু ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৭৫।

অন্যদিকে মৃত্যু সংখ্যাতে আগেই পেরিয়ে গেলেও মোট সংক্রমণের ভিত্তিতে আজই রাশিয়াকে পেরিয়ে গেল ভারত। এখন পর্যন্ত ভারতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৭০, মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৬৮৯ জনের। দেশে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ২২ হাজার ৬০৩ জন। ১৩৮ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতে এখন পর্যন্ত টেস্ট হয়েছে ৯৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৬ টি যা দেশের প্রতি ১০ লক্ষ জনগন পিছু মাত্র ৭ হাজার ৯৩! অর্থাৎ রাশিয়ার থেকে অর্ধেকের কম টেস্টেই ভারতের সংগক্রামিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল রাশিয়া কে।

উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত, মৃতের রেকর্ড! দেখুন জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান।

5th july corona update

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে কার্যত দূর্বার গতি নিয়েছে করোনা ভাইরাস! অনেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও কার্যত করোনার গ্রাসে রাজ্য। গত ২৪ ঘন্টায় ফের ৮৯৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে এবং মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের, যা রাজ্যে সর্বকালীন রেকর্ড। লকডাউনের মেয়াদ বাড়লেও কার্যত লকডাউন উঠে গিয়েছে রাজ্য তথা দেশে, ফলে করোনা ভাইরাস এখন প্রত্যেক মূহুর্তে বাড়াচ্ছে তার তীব্রতা।লাগামহীন করোনা। আজ ফের ব্যাপকহারে সংক্রমণ বাড়ায় রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ২২ হাজার মৃত্যু ৭৫৭ জনের!

আরও পড়ুনঃ চরম শঙ্কটের মুখে বাংলা; একদিনে আক্রান্ত ৮৯৫; মৃত ২১ #Exclusive

সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশে প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৫ জন।নতুন ৮৯৫ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ১২৬ জন। পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ২১ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫৭।

এদিকে একই ভাবে রাজ্যের সব জেলা গুলির মধ্যে কলকাতার হাল সবচেয়ে খারাপ। কলকাতায় এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪৪ জন, যা কলকাতায় করোনা সংক্রমণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এদিনের ২৪৪ জন কে নিয়ে কোলকাতায় মোট সংক্রামিত হয়েছেন ৭ হাজার ১০৮ জন। এদিন কলকাতায় মৃত্যু সংখ্যা বেড়েছে ৮ টি যা নিয়ে কলকাতায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৪১৮ জনের। অন্যদিকে কলকাতায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ হাজার ৪০২ জন এবং এই মুহুর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ হাজার ২৮৮ জন

এদিনের সংক্রমনে রেকর্ড গড়েছে জেলা উত্তর ২৪ পরগণা, এদিন জেলাজুড়ে মোট সংক্রামিত হয়েছেন রেকর্ড ২১৪ জন যা নিয়ে মোট সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৬০। এই জেলায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ হাজার ১৭০ জন এবং এদিন ৮ টি বেড়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১২২ জনের। জেলা জুড়ে এখন চিকিৎসাধীন ১ হাজার ৪৬৮ জন।

অন্যদিকে হাওড়া জেলাতে সংক্রমণের গতি ফের বেড়েছে এদিন। গত ২৪ ঘন্টায় হাওড়া তে মোট সংক্রামিত হয়েছেন ১১১ জন, যা নিয়ে জেলায় মোট সংক্রামিতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ১২১ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১৭০ জন এবং এদিন ২টি বেড়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০৯ জনের। এই মুহুর্তে জেলায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮৪২ জন।

হুগলী এবং দক্ষিন ২৪ পরগণা জেলার ক্ষেত্রেও বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। হুগলীতে এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ জন! যা নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৪ এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। দক্ষিন ২৪ পরগনায় এদিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১১৮, যা নিয়ে মত আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৪৬৯। এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের।
দেখুন সার্বিক পরিসংখ্যান

25db57df e178 4ca9 8ee1 b247881454ac

চরম শঙ্কটের মুখে বাংলা; একদিনে আক্রান্ত ৮৯৫; মৃত ২১ #Exclusive

mamata banerjee corona virus
নির্বাচনের আগে অনেকে এসে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করবে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নজিরবিহীন অবস্থা, রাজ্যে ফের আক্রান্ত ৮৯৫ জন! করোনা ভাইরাস এখন প্রত্যেক মূহুর্তে বাড়াচ্ছে তার তীব্রতা।

গত কয়েক দিন ধরেই করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব চলছে পশ্চিমবঙ্গে। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, কার্যত সংকট জনক পরিস্থিতি দার্জিলিং জেলায়।সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশে প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড।

আরও পড়ুনঃ উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত, মৃতের রেকর্ড! দেখুন জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান।

দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৫ জন, ইতিমধ্যেই বেশির ভাগ আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠলেও মৃত্যু হয়েছে বিপুল সংখ্যায়। এখন পর্যন্ত দেশ জুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৪৬৮ জন করোনা আক্রান্তের। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ১৭ হাজার ৫০৯ জন।

রাজ্যেও কার্যত দূর্বার গতি নিয়েছে করোনা ভাইরাস! চলতি সপ্তাহে টানা ৬ দিন ধরে করোনা তার ব্যাপকতা বাড়িয়েছে রাজ্যে ফলে টানা ৪ দিন রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০০-র বেশি মানুষ। গতকাল টপকে গেছিলল সাতশো! আর এদিন প্রায় ৯০০! আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৫ জন। নতুন ৮৯৫ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ১২৬ জন।

পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ২১ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫৭।
পাশাপাশি গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্য জুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৪৫ জন। এদিনের ৫৪৫ জন কে নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪ হাজার ৭১১ জন। এদিন ৫৪৫ জন সুস্থ হয়ে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৬.৪৮ শতাংশ করোনা আক্রান্ত। অন্যদিকে এই মুহুর্তে রাজ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ৬৫৮ জন।

অর্থাৎ গতকালের থেকে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত বেড়েছে ৩২৯! পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ১১ হাজার ১৬ টি, যা এখন পর্যন্ত রাজ্যে সর্বমোট টেস্টের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮। প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু রাজ্যে পরীক্ষা হয়েছে ৬ হাজার ১২ জনের।

৮টি ট্রেনের সময় বদলালো ভারতীয় রেল, দেখে নিন এক নজরে।

নজরবন্দি ব্যুরো: একাধিক স্পেশ্যাল ট্রেনের টাইম টেবল আচমকা বদলাল ভারতীয় রেল ৷ এর মধ্যে ৮ টি স্পেশ্যাল ট্রেন সামিল রয়েছে যার সময় বদল করা হয়েছে ৷ লকডাউনের জেরে এখনও বন্ধ রয়েছে ট্রেন পরিষেবা ৷ তবে ভারতীয় রেলের তরফে ২৩০ টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ সেই সমস্ত ট্রেনের ক্ষেত্রে ১২০ দিন আগে বুকিং করার সুবিধা মিলবে ৷ পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য জারি করা হয়েছে নতুন গাইডলাইন ৷ এর মধ্যে একাধিক ট্রেনের টাইম বদল করা হয়েছে ৷ সম্প্রতি ৮টি ট্রেনের সময় বদল করা হয়েছে ৷ দেখে নিন নতুন টাইম টেবল।

১. ট্রেন নম্বর ০২৪৪২ ও ০২৪৪১, নয়াদিল্লি-বিলাসপুর-নয়াদিল্লি রাজধানী স্পেশ্যালের সময়ে বদল করা হয়েছে ৷ ট্রেন নম্বর ০২৪৪২ নয়াদিল্লি থেকে আগে বিকেল ৪টের সময় যাত্রা শুরু করছিল ৷ এবার তার বদলে ট্রেন ছাড়বে ৩.৪৫ মিনিটে এবং ঝাঁসি, ভোপাল ও নাগপুর হয়ে ১২ টায় বিলাসপুর পৌঁছবে ৷ট্রেন নম্বর ০২৪৪১ বিলাসপুর থেকে ২ টোর সময় ছাড়বে এবং রায়পুর, নাগপুর, ভোপাল ও ঝাঁসি হয়ে সকাল ১০:৫০ মিনিটে নয়াদিল্লি পৌঁছবে ৷ এই ট্রেন ৪ জুলাই ২০২০ থেকে নয়াদিল্লি থেকে প্রত্যেক মঙ্গলবার ও শনিবার এবং বিলাসপুর থেকে ৬ জুলাই থেকে প্রত্যেক সোমবার ও বৃহস্পতিবার ছাড়বে ৷ ২. ট্রেন নম্বর ০২৪৩৪ ও ০২৪৩৩ নয়াদিল্লি-চেন্নাই সেন্ট্রাল-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস স্পেশ্যাল নয়াদিল্লি থেকে ৩.৪৫ এ ছাড়বে এবং ঝাঁসি, ভোপাল, নাগপুর হয়ে রাত ৮.৪০ এ চেন্নাই সেন্ট্রালে পৌঁছবে ৷

অন্যদিকে ট্রেন নম্বর ০২৪৩৩ চেন্নাই থেকে সকাল ৬.৩৫ এ ছাড়বে এবং নয়াদিল্লিতে ১১ টায় পৌঁছবে ৷ এই ট্রেন নয়াদিল্লি থেকে প্রত্যেক সোমবার ও বৃহস্পতিবার ও চেন্নাই সেন্ট্রাল থেকে প্রত্যেক বুধবার ও শনিবার ছাড়বে ৷ ৩. ট্রেন নম্বর ০২৪৩৮ ও ০২৪৩৭, নয়াদিল্লি-সেকেন্দ্রাবাদ-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস স্পেশ্যালের সময়ও বদল করা হয়েছে ৷ ট্রেন নম্বর ০২৪৩৭(সেকেন্দ্রবাদ-নয়াদিল্লি রাজধানী) সেকেন্দ্রাবাদ থেকে দুপুর ১.১৫ টায় ছাড়বে আর নয়াদিল্লিতে সকাল ১০.৫০ এ পৌঁছবে ৷ এই ট্রেনটি নয়াদিল্লি থেকে প্রত্যেক রবিবার ও সেকেন্দ্রাবাদ থেকে প্রত্যেক বুধবার ছাড়বে।নয়াদিল্লি থেকে ০২৪৩৪ এবার ৩:৪৫ এ ছাড়বে এবং ঝাঁসি, ভোপাল, নাগপুর হয়ে সেকেন্দ্রাবাদে ২ টোয় পৌঁছবে ৷

৫. ২ জুলাই অর্থাৎ আজ থেকে ট্রেন নম্বর ০২৯৫১ ও ০২৯৫২ মুম্বই সেন্ট্রাল-নয়াদিল্লি-মুম্বই সেন্ট্রাল রাজধানী এক্সপ্রেসের স্পিড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ এর জন্য টাইম টেবলও বদল করা হয়েছে। এবার ট্রেন নম্বর ০২৯৫১ মুম্বই সেন্ট্রাল থেকে বিকেল ৫.৩০ এ ছাড়বে এবং নয়াদিল্লিতে সকাল ৮:৫০ এ পৌঁছবে ৷ অন্যদিকে ট্রেন নম্বর ০২৯৫২ নয়াদিল্লি থেকে বিকেল ৫ টায় ছাড়বে এবং মুম্বই সেন্ট্রালে সকাল ৮.৪০ এ পৌঁছবে ৷

নেপোটিজমের শিকার হতে হয়েছিল আমাকেও, বিস্ফোরক সইফ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে বলিউডের একের পর এক অভিনেত্রী ও অভিনেতারা নেপোটিজমের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। অনেক সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারা তাঁদের নেপোটিজমের শিকার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়লো সইফের। সইফ আলি খান জানিয়েছেন সেও ইন্ডাস্ট্রির ন্রপোটিজমের শিকার হয়েছিলেন। কথা মানতে অসুবিধা হলেও এমনি শোনা গেল তাঁর মুখ থেকে। সইফ নাম না করেই অভিযোগ তোলেন যে, কোন এক অভিনেতার পিতা ফোন করে সইফের বদলে তাঁর ছেলেকে ছবিতে নিতে বলেছিলেন।

কিন্তু সেই সময়ে তাঁর এই বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি। তাই তাঁর নেপোটিজমের শিকার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি। সইফ বলেন, আজকাল দেখে খুব ভালো লাগছে যে, অনেকেই ইন্ডাস্ট্রির এই নিতির বিরিদ্ধে মুখ খুলেছেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা সবার সামনে তুলে ধরছেন। শর্মিলা ঠাকুর এবং মনসুর আলি খান পতৌদির ছেলে সইফ আলি খানের এই মন্তব্যের কারণে তাঁকে নিয়ে যথেষ্ট ট্রোলড করা হয়েছে টুইটারে। ২০০৪ সালে রিলিজ হয়েছিল সইফ আলি খান এবং রানি মুখার্জি অভিনিত ছবি ‘হাম তুম’। সেই বছরই শাহরুখ খানের ছবি ‘স্বদেশ’ রিলিজ হয়। দুটি ছবির মধ্যে ‘স্বদেশ’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার উঠবে শাহরুখেরই হাতে, এমনটাই মনে করেছিলেন দর্শকরা এবং বিনোদন জগতের অনেকে।

কিন্তু সবার ধারণাকে ভুল প্রমানিত করে, ‘হাম তুম’ ছবির জন্য ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পান সইফ আলি খান। সূত্রের খবর, সেই সময় সেন্সর বোর্ডের চিফ ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর । আর সেই কারনেই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড জিতেছিলেন সইফ। তার পরেও সইফের নেপোটিজমের শিকার হওয়ার মন্তব্য নিয়ে ট্রোলড করা হচ্ছে টুইটারে। কিন্তু এমন বেশ কিছু ছবির নাম বলা যেতে পারে যেখানে সইফ আলি খান তাঁর অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়েছেন। সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’-তে একটি ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন সইফ। সুশান্তকে নিয়ে সইফ বলেন, ও একজন খুব দক্ষ অভিনেতা ছিল। এবং সামনে ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ রয়েছে বলেই আমার মনে হয়েছিল।

তিনি বলেন ‘দিল বেচারা’ ছবিতে আমার একটা খুব ছোট পার্ট ছিল কিন্তু সুশান্ত সেটাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছিল। সইফ বলেন, আমার ধারনা সুশান্ত আমার থেকে অনেক বেশি প্রতিভাবান অভিনেতা। ২০১৮ সালে ‘কেদারনাথ’ সিনেমা দিয়েই বলিউডে আসেন সইফ কন্যা সারা আলি খান। সেই ছবিতে সারা এবং সুশান্ত এক সঙ্গে কাজ করে। ছবি রিলিজের পর অভিনেত্রী সারা আলি খান জানিয়েছিলেন, অভিনয়ের খুঁটিনাটি, হিন্দি উচ্চারণ, ডায়ালগ ডেলিভারি সব বিষয়েই সুশান্ত তাঁকে ভীষণ ভাবে সাহায্য করেছিলেন।