নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে বলিউডের একের পর এক অভিনেত্রী ও অভিনেতারা নেপোটিজমের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। অনেক সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারা তাঁদের নেপোটিজমের শিকার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়লো সইফের। সইফ আলি খান জানিয়েছেন সেও ইন্ডাস্ট্রির ন্রপোটিজমের শিকার হয়েছিলেন। কথা মানতে অসুবিধা হলেও এমনি শোনা গেল তাঁর মুখ থেকে। সইফ নাম না করেই অভিযোগ তোলেন যে, কোন এক অভিনেতার পিতা ফোন করে সইফের বদলে তাঁর ছেলেকে ছবিতে নিতে বলেছিলেন।
কিন্তু সেই সময়ে তাঁর এই বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়নি। তাই তাঁর নেপোটিজমের শিকার হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি। সইফ বলেন, আজকাল দেখে খুব ভালো লাগছে যে, অনেকেই ইন্ডাস্ট্রির এই নিতির বিরিদ্ধে মুখ খুলেছেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা সবার সামনে তুলে ধরছেন। শর্মিলা ঠাকুর এবং মনসুর আলি খান পতৌদির ছেলে সইফ আলি খানের এই মন্তব্যের কারণে তাঁকে নিয়ে যথেষ্ট ট্রোলড করা হয়েছে টুইটারে। ২০০৪ সালে রিলিজ হয়েছিল সইফ আলি খান এবং রানি মুখার্জি অভিনিত ছবি ‘হাম তুম’। সেই বছরই শাহরুখ খানের ছবি ‘স্বদেশ’ রিলিজ হয়। দুটি ছবির মধ্যে ‘স্বদেশ’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার উঠবে শাহরুখেরই হাতে, এমনটাই মনে করেছিলেন দর্শকরা এবং বিনোদন জগতের অনেকে।
কিন্তু সবার ধারণাকে ভুল প্রমানিত করে, ‘হাম তুম’ ছবির জন্য ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পান সইফ আলি খান। সূত্রের খবর, সেই সময় সেন্সর বোর্ডের চিফ ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর । আর সেই কারনেই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড জিতেছিলেন সইফ। তার পরেও সইফের নেপোটিজমের শিকার হওয়ার মন্তব্য নিয়ে ট্রোলড করা হচ্ছে টুইটারে। কিন্তু এমন বেশ কিছু ছবির নাম বলা যেতে পারে যেখানে সইফ আলি খান তাঁর অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়েছেন। সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’-তে একটি ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন সইফ। সুশান্তকে নিয়ে সইফ বলেন, ও একজন খুব দক্ষ অভিনেতা ছিল। এবং সামনে ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ রয়েছে বলেই আমার মনে হয়েছিল।
তিনি বলেন ‘দিল বেচারা’ ছবিতে আমার একটা খুব ছোট পার্ট ছিল কিন্তু সুশান্ত সেটাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছিল। সইফ বলেন, আমার ধারনা সুশান্ত আমার থেকে অনেক বেশি প্রতিভাবান অভিনেতা। ২০১৮ সালে ‘কেদারনাথ’ সিনেমা দিয়েই বলিউডে আসেন সইফ কন্যা সারা আলি খান। সেই ছবিতে সারা এবং সুশান্ত এক সঙ্গে কাজ করে। ছবি রিলিজের পর অভিনেত্রী সারা আলি খান জানিয়েছিলেন, অভিনয়ের খুঁটিনাটি, হিন্দি উচ্চারণ, ডায়ালগ ডেলিভারি সব বিষয়েই সুশান্ত তাঁকে ভীষণ ভাবে সাহায্য করেছিলেন।







