Home Blog Page 6358

এবার এল দেশের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ “Elyments”

নজরবন্দি ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আত্মনির্ভর ভারতের ঘোষণা করেছিলেন। তারপর টিকটক -সহ ৫৯ টি অ্যাপ ব্যান হয়েছে দেশে। এবার এল দেশের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ Elyments।উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু গতকালই উদ্বোধন করেছেন এই অ্যাপের।

আর্ট অব লিভিং বেসরকারি সংস্থার হাজারো আইটি কর্মীরা মিলে এই অ্য়াপ তৈরি করেছেন। আর্ট অব লিভিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্বঘোষিত ধর্মগুরু রবিশঙ্কর। তাঁদের দাবি এটিই দেশের প্রথম সোশাল মিডিয়া সুপার অ্যাপ।চলতি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ অর্থাৎ হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে লড়তে হবে এই অ্যাপকে। অ্যাপটি ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ বার প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড হয়ে গিয়েছে।চলতি অন্যান্য অ্যাপের মতোই এই অ্যাপে একাধিক ভারতীয় ভাষা রয়েছে।

রয়েছে অডিয়ো ও ভিডিয়ো কলের সুবিধা। নতুন এই অ্যাপ সংস্থার দাবি, ভারতের তথ্য নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।অ্যাপ উদ্বোধনের সময় ভেঙ্কাইয়া নাইডু জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতিকে মাথায় রেখে নতুন প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোকে মজবুত করতে হবে।

মার্কিন রণতরীকে ধ্বংস করার প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি চীনের, পাত্তা দিল না মার্কিন নৌবাহিনী

নজরবন্দি ব্যুরো: দক্ষিণ চিন সাগরের গোটাটাই চিনা সেনার দখলে রয়েছে৷ সেখানে কোনও মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের গতিবিধি চিনের ইচ্ছের উপরে নির্ভরশীল৷ আমেরিকাকে হুমকি দিয়ে এমনই দাবি সহ ট্যুইট করেছিল চিনের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস৷চিনের এই চোখরাঙানিকে কার্যত আমলই দিল না মার্কিন নৌসেনা৷

ট্যুইটের জবাব দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল, এখনও দক্ষিণ চিন সাগরে দু’টি মার্কিন রণতরী রয়েছে৷ চিনের ভয়ে ওই যুদ্ধজাহাজগুলি প্রত্যাহারের কোনও সম্ভাবনাই নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন নৌসেনা৷দক্ষিণ চিন সাগরে পরমাণু জ্বালানিতে চলা যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম দু’টি রণতরী মোতায়েন করেছে আমেরিকা৷ সেখানেই সামরিক মহড়া চালাচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনী৷

এর পরই রবিবার গ্লোবাল টাইমস-এর মাধ্যমে মার্কিন নৌবাহিনীকে হুমকি দেয় চিনা সেনা৷ দাবি করা হয়, DF-21D এবং DF-26-এর মতো অ্যান্টি এয়ারক্র্যাফ্ট কেরিয়ার কিলার মিসাইলের নাগালের মধ্যেই রয়েছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দু’টি৷ চাইলেই চিন মার্কিন রণতরীগুলিকে ধ্বংস করতে পারে বলেও প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দেয় চিন৷

যদিও চিনের এই দাবিতে বিশেষ আমল দেয়নি মার্কিন নৌবাহিনী৷ তারা গ্লোবাল টাইমস-এর ট্যুইটের জবাব দিয়ে জানায়, তাদের দু’টি রণতরী USS Nimitz এবং USS RonaldReagan এখনও দক্ষিণ চিন সাগরেই রয়েছে৷ সেখান থেকে সরে আসারও কোনও পরিকল্পনা নেই৷ চিনের হুঁশিয়ারির জবাবে মার্কিন নৌবাহিনীও জানিয়ে দিয়েছে, তারা যা করবে নিজেদের ইচ্ছেতেই করবে৷

ফের এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে ১৬ জন করোনা আক্রান্ত।

নজরবন্দি ব্যুরো: ফের সংকটে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এবার হাসপাতালের মোট ১৬ জন চিকিৎসক-অধ্যাপক ও রোগীদের শরীরে মিলল করোনাভাইরাস সংক্রমণ। ফলে আবার বন্ধ হতে বসেছে হাসপাতালের একাংশ।মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন বিভাগের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ মোট ১৬ জনের দেহে সংক্রমণ মেলায় কার্যত সন্ত্রস্ত অবস্থা এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে।

আজ, সোমবার সকালে গোটা ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৎপরতা। মেডিসিন, সার্জারি, প্রসূতি বিভাগ, অর্থোপেডিক-সহ একাধিক ওয়ার্ডের রোগীরা সংক্রামিত হয়েছেন বলে খবর মিলেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। রোগীদের অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।এনআরএস এর আগেও করোনা নিয়ে এই সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

এপ্রিল মাসের ৬ তারিখে প্রথম করোনা-আতঙ্কে এনআরএস হাসপাতালে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মেডিসিন মেল ওয়ার্ড। ১৪ বেডের সিসিইউ বিভাগও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এভাবে কোনও হাসপাতালের ১৪০ রোগীর মেল মেডিসিন ওয়ার্ড ও সিসিইউ একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলায় নজিরবিহীন ছিল। ৩৯ জন চিকিৎসক-সহ মোট ৬৪ জন স্বাস্থ্যকর্মীর পজ়িটিভ এসেছিল করোনার রিপোর্ট। হাসপাতালে চরম চিকিৎসক-সংকট দেখা দেয়।

এর পরে মে মাসের ২ তারিখে এনআরএসে চিকিৎসাধীন ছ’জন প্রসূতি ও এক চিকিৎসকের শরীরে কোভিড সংক্রমণ মিলেছিল। এক রোগীর মৃত্যুর পর রিপোর্ট আসে পজিটিভ। ওই ঘটনার পর প্রসূতি বিভাগের একটি অংশ সিল করে দেওয়া হয়। ফের মে মাসের ১১ তারিখে সংক্রমণ ধরা পড়ে বেবি নার্সারি বিভাগের এক নার্সের দেহে। সিল হয় হাসপাতালের একাংশ।

সুশান্ত কাণ্ডে জেরার মুখে বানসালি, নেপটিজম নিয়ে মুখ খুললেন টাইগার

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে যোগ দিতে সোমবার বান্দ্রা থানায় পৌঁছান চিত্রপরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি। তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য বানসালিকে বান্দ্রা পুলিশ তলব করেছে এবং প্রয়াত অভিনেতাকে তিনি যে ছবিগুলি দিয়েছিলেন, সেগুলি নিয়ে প্রশ্ন করা হবে, যা বাস্তবায়িত হয়নি।

বানসালি আজ সাড়ে বারোটার দিকে থানায় উপস্থিত হন এবং তাঁর আইনজীবী এবং তাঁর কয়েকজন কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অপর দিকে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে বলিউডে স্বজনপোষণ আলোচনা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে । এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন জ্যাকি পুত্র টাইগার। তিনি বলেন ‘একজন স্টারের সন্তান হওয়ায় বাড়তি চাপ রয়েছে। কারণ সবাই মনে করেন আমাদের জন্য সব কিছুই খুব সহজ। তবে হ্যাঁ আমি মিথ্যে বলবো না, বাড়তি নজর থাকায় কিছু সুবিধা রয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে চাইলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আমি আমার বাবার ছায়া থেকে বের হতে পেরেছি। আমার বাবা ৩০বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন। অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন এই সময়ে এবং আমাকে সবকিছু থেকে সুরক্ষিত রেখেছেন। যেহেতু আমি এখন ময়দানে, তাই আমাকে লক্ষ্যে করে এগুলো বলা সহজ।’

মুক্তি পেল সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’র ট্রেলার। দেখুন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ ছবি ‘দিল বেচারা‘র ট্রেলার আজ মুক্তি পেল। ২৪ জুলাই ডিজনি প্লাস হটস্টারের মুক্তি পাবে ছবিটি। কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবড়া নেতৃত্বাধীন চলচ্চিত্রটি জন গ্রিনের ২০১২ সালের সেরা ‘ দ্য ফল্ট ইন আওয়ার স্টার ‘অবলম্বনে নির্মিত।

এটি ৮ ই মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু করোনা ভাইরাস মহামারীজনিত কারণে ছবিটি মুক্তি পায়নি।সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর শেষ ছবি দিল বেচারাকে নিয়ে অনুগামীদের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মরার আগে মরেন নি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক!

শুধু তাই নয়, সুশান্তের অনুপস্থিতিতে তাঁর সিনেমা দেখতে হবে, তা কখনও কেউ কল্পনাও করতে পারেননি বলে মন্তব্য করত শুরু করেন ভক্তরা। দিল বেচারা মুক্তির আগে তাই সুশান্ত অনুগামীদের চোখে জল। দেখুন ‘দিল বেচারা’র ট্রেলার।

মরার আগে মরেন নি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মরার আগে মরেন নি তিনি, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করে বাড়ি ফিরলেন অশোক ভট্টাচার্য। টানা ২১ দিনের লড়াইয়ের পর মারণ ভাইরাস কে ঘায়েল করে বাড়ি ফিরে এলেন শিলিগুড়ির সিপিআইএম বিধায়ক তথা পুরনিগমের প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। করোনাজয়ী অশোকের বাড়ি ফেরা নিয়ে জনতার উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। তাঁকে ফুলের মালা আর পুষ্পবৃষ্টিতে বরণ করে নিলেন সহকর্মী সহ শিলিগুড়ির বাসিন্দা রা।

বৃহস্পতিবার সকালে অশোকবাবুর সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ জানা যায়, অশোকবাবুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য এ দিন অশোক বাবু সোশ্যাল মিডিয়াতে মুখ্যমন্ত্রী, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

গত ১৬ জুন থেকে মাটিগাড়ার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা শিলিগুড়ি মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। পরপর দু’বার covid19 এর সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর গতকাল তাঁর সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। সিপিআইএমের দার্জিলিং জেলা সম্পাদক জীবেশ সরকার জানিয়েছেন, অশোকবাবুর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

অন্যদিকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন করোনা মুক্ত অশোক বাবু, এক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, “আমার করোনা আক্রমণের প্রায় ২০ দিন হলো। কয়েকদিন আগে আমার পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এখন সুস্থ বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় রয়েছি। করোনা নিয়ে অনেক রকম প্রচারের কথা শুনে আসছি। আমার কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা হল, এই ক’দিনে। প্রথম অভিজ্ঞতা হল, করোনা হলেই মৃত্যু নয়। মরার আগেই মরবো কেন? লড়াই করার মানসিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।“

রাজ্যের ক্ষেত্রে রোগ দ্রুত নির্ণয় করে চিকিৎসা হচ্ছে না, যদি তা হত তাহলে করোনা মোকাবিলা করতে অনেক সুবিধা হত বলে দাবি করে তিনি বলেন, “আমার ক্ষেত্রেও বিলম্ব হয়েছিল। অনেক করোনা রোগী সেভাবে কোনও শারীরিক অসুবিধে বুঝতেই পারেন না। অনেক ডাক্তার এই সমস্ত রোগীদের এড়িয়ে যান। তখন তাঁকে একের পর এক ডাক্তারের কাছে ছুটে বেড়াতে হয়। এই সময়ে রোগীর যা ক্ষতি হওয়ার, হয়ে যায়। বিশেষ করে তাঁর রক্তে অক্সিজেন কমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এই অবস্থায় রোগীর মৃত্যু হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার আরেকটি বিষয় মনে হয়েছে। তা হল, একটু আন্তরিকতার সাথে চিকিৎসা ও চিকিৎসাকর্মীদের সাহসিকতার সঙ্গে সেবা করা। আমি দেখেছি এঁদের ডেডিকেশন ও সাহস। এঁদের জন্যেই আমার মতো অনেকে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। কিন্তু ওঁরাই বলছিল, সমাজে যে সম্মান বা মর্যাদা পাওয়া উচিত, তা কিন্তু পায় না। তাঁদের সবসময় থাকতে হয় আতঙ্কের মধ্যে। এখানেই পশ্চিমবঙ্গের মতো একটি এগিয়ে চলা রাজ্যের লজ্জা।”

শিক্ষকতার স্বপ্ন ছেড়ে সব্জিবিক্রি, টোটো চালাচ্ছেন হবু শিক্ষকরা!

upper primary
upper primary

নজরবন্দি ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রাজ্যে। অন্যদিকে, আর এই ভাইরাসের কারণে টানা দু-মাস লকডাউনের ফলে কার্যত পথে বসিয়েছে রাজ্যের কয়েক হাজার হবু শিক্ষক-শিক্ষিকাকে। এমন অবস্থা যে শিক্ষকতার স্বপ্ন ছেড়ে সব্জিবিক্রি, টোটো চালাচ্ছেন হবু শিক্ষকরা!

গতকাল সরকারের দেওয়া হিসাব অনুসারে, রাজ্যে ফের আক্রান্ত ৮৯৫ জন। করোনা ভাইরাস এখন প্রত্যেক মূহুর্তে বাড়াচ্ছে তার তীব্রতা। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, কার্যত সংকট জনক পরিস্থিতি দার্জিলিং জেলায়। সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড।

আর এই ভাইরাসের কারণে টানা দু-মাস লকডাউনের ফলে কার্যত পথে বসিয়েছে রাজ্যের কয়েক হাজার হবু শিক্ষক-শিক্ষিকাকে। কমিশনের অনিয়মের কারণেই প্রায় ৭ বছর আটকে আছে আপার প্রাইমারির নিয়োগ প্রক্রিয়া। রাজ্য জুড়ে উচ্চ প্রাথমিকের হবু শিক্ষক রা বিধায়ক মন্ত্রী আর সাংসদ দের বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নিয়োগের দাবি নিয়ে।

অন্যদিকে লকডাউনের আগে এতদিন প্রাইভেট টিউশনে সংসার চালাচ্ছিলেন এই শিক্ষিত বেকাররা। কিন্তু লকডাউনে প্রাইভেট টিউশন বন্ধ। কবে যে সব কিছু স্বাভাবিক হবে, অনিশ্চিত। আদালতে এই মামলার নিষ্পত্তি কবে হবে তা কেউ জানে না। কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ কার্যত সুতোয় ঝুলছে। এদিকে ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে বয়েস! তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষকতার স্বপ্ন ছেড়ে শিক্ষকতার স্বপ্ন ছেড়ে সব্জিবিক্রি করছেন টোটো চালাচ্ছেন হবু শিক্ষকরা।

এমন সময়ে রাজ্যের টেট-উত্তীর্ণ উচ্চ-প্রাথমিকের সেই হবু শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনেকে এখন বাঁচা-মরার বর্ডার লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ চালাচ্ছেন মুদি দোকান, কেউ সাইকেল-ভ্যানে ডিম-সব্জি বেচছেন, কেউ চালাচ্ছেন টোটো।

আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে ত্রান চুরি তৃণমূলের; ড্যামেজ কন্ট্রোলে কঠোর শিশির-পার্থ।

ভূগোলের শিক্ষক পদপ্রার্থী দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারির পাথরঘাটার রঞ্জিতকুমার দে বলেন, ‘ বাবা মারা গিয়েছে আগেই, বাধ্য হয়েই দোকানের হাল ধরেছি। সব্জিও বেচছি। ১২ জনের সংসার চালাতে হয়। বয়সটাও পেরিয়ে যাচ্ছে।’

গণিতের শিক্ষক পদপ্রার্থী পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের কাদুয়া পশ্চিমবার গ্রামের গৌরাঙ্গ মাইতি জানান, এতদিন টিউশন করে সংসার চলত। কিন্তু লকডাউনে সেই ইনকাম এখন বন্ধ। তাই ডিম বিক্রি করছেন।

ইতিহাসের হবু শিক্ষিক আরামবাগের আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আড়াই বছরের মেয়েকে নিয়ে পাঁচ জনের সংসার। কবে যে চাকরি হবে, আদৌ হবে কি না, জানি না। লকডাউন সব কিছুই ওলোটপালট করে দিল। তাই টোটো চালাচ্ছি।’

নন্দীগ্রামে ত্রান চুরি তৃণমূলের; ড্যামেজ কন্ট্রোলে কঠোর শিশির-পার্থ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমফানের ত্রান বিলি নিয়ে রাজ্য জুড়ে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এবং সেই অভিযোগ যে অমূলক নয় তাঁর প্রমানও পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের উত্থান যেখান থেকে শুরু সেই নন্দীগ্রামে যা ঘটল তা এক কথায় নজিরবিহীন। নন্দীগ্রামে ত্রান চুরি তৃণমূলের? অভিযোগ মেনে নিয়ে গড় বাঁচাতে এবার দলের দূর্নীতিগ্রস্ত দের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং কেমিক্যাল হাব, এই ছিল বিতর্ক এবং পতনের সূচনা বামফ্রন্ট সরকারের। আন্দোলন বাড়ছে দেখে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নোটিশ জারি করে ঘোষণা করেন কেমিক্যাল হাব হবে না। কিন্তু ততক্ষনে মাওবাদীদের চোরাগোপ্তা হানা, সাথে কলকাতার বুদ্ধিজীবী এবং তৃণমূলের আন্দোলন নড়িয়ে দিয়েছে বুদ্ধদেব সরকারের ভিত। সেই পতনের শুরু, তারপর থেকে পূর্ব মেদিনীপুর বা নন্দীগ্রামে আর মাথা তুলতে পারেনি বামেরা।

কিন্তু কিছুটা হলেও পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে করোনা ভাইরাস। একদিকে যখন পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু অন্য দিকে তখন লকডাউনে পেটে টান। কমিউনিটি কিচেন গড়ে কার্যত বেসরকারি সরকার চালিয়েছে বামেরা, পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর পক্ষে সওয়াল করেছে একাধিকবার যার সামান্য হলেও ফল মিলেছে রাজ্য জুড়েই। রাজ্যের সেই তালিকা থেকে বাদ জায়নি নন্দীগ্রামও।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে পিছু হটলো লাল ফৌজ, এবার তিব্বত কে চিনের দখলমুক্ত করার দাবি।

একদা লাল পতাকার গড় নন্দীগ্রামে সিপিআইএমের বন্ধ পার্টি অফিস খুলে দিয়েছে বাড়ি ফেরা পরিযায়ী শ্রমিক এবং তাদের বাড়িড় লোকজন। চলছে সেই পার্টি অফিস থেকে পুরোদমে ত্রান বিলি। অন্যদিকে করোনা ছড়াতে পারেন সায়ন্তন, এই অভিযগে বিজেপি কে ঢুকতে বাঁধা দেওয়া হয়েছে কাঁথির পথে!

একদিকে যখন এইসব চলছে তখন অন্যদিকে আমফানের ত্রান চুরিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে দলের শীর্ষ নেতাদের মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নন্দীগ্রামে আমফানের ত্রান চুরি তৃণমূলের? প্রশ্ন এবং দূর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে নন্দীগ্রামের ২০০ জনকে শোকজ করা হয়েছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে। তাঁদের মধ্যে ৫৫ জন আবার ত্রান চুরির টাকা ফেরত দিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি শিশির অধিকারী।

শিশির অধিকারীর কথায়, “ইতিমধ্যে ৫৫ জন ত্রাণের টাকা ফেরত দিয়েছেন। আশা করি, আরও টাকা ফেরত আসবে। যত বড় নেতাই হোন না কেন, পূর্ব মেদিনীপুরে আমরা কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। সকলকে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। সরকারের ভাবমূর্তি যাঁরা নষ্ট করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। যাঁদের বহিষ্কার করা হবে তাঁদের একটি নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। দল অনুমোদন দিলেই বহিষ্কার করা হবে।”

অন্যদিকে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আমফান ত্রাণ নিয়ে যাঁরা দুর্নীতি করেছেন, “তাঁদের শুধু বহিষ্কার নয়, আরও বড় শাস্তি দেওয়া হবে।”

অবশেষে পিছু হটলো লাল ফৌজ, এবার তিব্বত কে দখলমুক্ত করার দাবি।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৌদ্ধদের শীর্ষ ধর্মগুরু দলাই লামার জন্মদিন। আর তাঁর জন্মদিনেই ফের তিব্বতকে চিনের দখলমুক্ত করার দাবি উঠল। ১৯৫০-এর দশকে চিন তিব্বত দখল করে। আর এরপর ১৯৫৯ সাল থেকে উত্তর ভারতের ধরমশালায় তাঁর নির্বাসন জীবন শুরু হয়। এদিকে লাদাখ নিয়ে ক্রমেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, গালওয়ানে প্রায় এক-দু’কিলোমিটার পিছিয়ে গিয়েছে লাল ফৌজ।

অন্যদিকে, তিব্বতে চিন তাদের অতিরিক্ত সেনার ডিভিশন মোতায়েন করেছে। এই অবস্থায় ফের চিন মুক্ত তিব্বতের দাবি উঠল। অপর দিকে লাদাখে ভারতের সঙ্গে চীনের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে কুড়ি জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পরে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে শুরু করে। ভারতের পক্ষ থেকে একাধিকবার সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে পর্যায়ক্রমে আলোচনা শুরু করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই পরিস্থিতিতে লাদাখ সফরে যান। সেখানে গিয়ে চীনের নাম না করে কড়া বার্তা দেন তিনি। এর পরেই চীন গালওয়ান থেকে সেনা সরানো শুরু করেছে। ১৫ ই জুন, দু’দেশের সেনাবাহিনী যে স্থানে মুখোমুখি হয়েছিল, এখন সেখান থেকে চীনা সেনাবাহিনী প্রায় এক কিমি দূরে পিছিয়ে গেছে। সেনাবাহিনীকে অব্যাহতভাবে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য সেনাবাহিনীর মধ্যে মন্থন ছিল, এমন পরিস্থিতিতে এটিকে এই প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, গালওয়ান নদী সংলগ্ন যে এলাকাগুলি থেকে দু’পক্ষ পিছিয়ে আসার বিষয়ে একমত হয়েছিল, সেখান থেকে চিনা সেনা তাদের তাঁবু, বাহিনী এবং যানবাহন সরিয়ে নিয়েছে। প্রায় ১ থেকে ২ কিলোমিটার পিছিয়ে গিয়েছে তারা। বৈঠকের শর্ত মেনে ভারতীয় সেনাও বেশ কিছুটা পিছিয়ে এসেছে বলে খবর।

তবে গালওয়ান নদী উপত্যকার গভীরে কয়েকটি জায়গায় এখনও চিনা বাহিনীর সশস্ত্র যানবাহন রয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে।

কিছুতেই কমানো যাচ্ছে না করোনার গতি, বিশ্বে তৃতীয় স্থানে ভারত।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুতেই বাদ মানছে না দেশের করোনা সংক্রমণের গতি। রবিবার রাতেই মোট সংক্রমণের নিরিখে রাশিয়া কে টোপকে গেল ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় ফের ২৪ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হলেন করোনাতে।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৪ হাজার ২৪৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪১৩ জন। এদের মধ্যে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৩৩ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এখনও চিকিৎসাধীন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৮৭ জন ।অপর দিকে মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৬৯৩ জনের। করোনা বিধ্বস্ততায় দেশের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে মোট করোনা রোগী ২ লক্ষ ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র তামিলনাড়ুতেই রবিবার আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার জন। মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। সবমিলিয়ে ওই রাজ্যে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ ১১ হাজার ১৫১ জন। মৃত্যু মিছিলে শামিল ১ হাজার ৫১০ জন।

দিল্লিতে নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ২৪৪। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৬৩ জন। সবমিলিয়ে রাজধানীতে মোট করোনা রোগী ৯৯ হাজার ৪৪৪ জন। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৭ জনের। এত খারাপ খবরের মধ্যে আশার খবর এই যে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যানুসারে ভারতে করোনায় সুস্থার হার দাঁড়িয়েছে ৬০.৮৫ শতাংশে। 

অপর দিকে বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১ কোটি ১৫ লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৩। তবে কোভিড রোগীর সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তার পরেই আসছে ব্রাজিল। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।