হোয়াটসঅ্যাপে হচ্ছে না ক্লাস, ক্ষোভে ফুঁসছেন গড়িয়ার অভিভাবকরা।

হোয়াটসঅ্যাপে হচ্ছে না ক্লাস,  ক্ষোভে ফুঁসছেন গড়িয়ার অভিভাবকরা।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গড়িয়ার লস্করপুর বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠে গোটা লকডাউন পিরিয়ডে হয়নি একটিও হোয়াটস অ্যাপ ক্লাস। সঙ্গতভাবেই মারাত্মক ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। বিশেষত, দশম শ্রেণীর ছাত্ররা ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বলে মনে করছেন অভিভাবকদের একটি বড় অংশ।

রংকল নিবাসী স্বাধীন দাস বলেন, “আমার ছেলেটা গত তিনমাসে স্কুল থেকে একটিও ক্লাস পেলো না, ও মাধ্যমিকে ফেল করলে কে দায়ী থাকবে?” সরলদীঘির পূর্ণিমা নস্কর বলেন, “বোড়াল হাই স্কুল, হরিমতি, বরদাপ্রসাদ, খানপুর, নাকতলা, সর্বত্রই চলছে হোয়াটস্যাপ ক্লাস, শুধু এঁদেরই কোনও উদ্যোগ নেই ” রামকৃষ্ণ পল্লীর স্বপ্না দে বলেন ” হেড্মাস্টারকে ফোন করেছিলাম, বললেন ” আমাদের স্কুলের সেই পরিকাঠামো নেই, আচ্ছা, এই প্রক্রিয়ায় স্কুলের কী পরিকাঠামো দরকার? শিক্ষক এবং ছাত্রের স্মার্টফোন থাকলেই তো হয় “।

প্রধানশিক্ষক নন্দন চৌধুরীকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের প্রতিবেদককে জানান ,”আমাদের স্কুলের সেই পরিকাঠামো নেই ” স্কুলের ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক অসীম রায় ফোনে জানান, “এমন কোনও সরকারী অর্ডারের কথা আমার জানা নেই “

স্কুলের জীবনবিজ্ঞান শিক্ষক সৌমিক গোস্বামী প্রতিবেদককে জানান ” হোয়াটস্যাপ এ শিক্ষাদান বাধ্যতামূলক, এই মর্মে কোনও G. O. হাতে পাইনি, তাছাড়া, এসব ব্যবস্থাপনা স্কুল কর্তৃপক্ষের হাতে, প্রধানশিক্ষক এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানান নি।”দশম শ্রেণীর ছাত্র সুবোধ সেন ( নাম পরিবর্তিত ) বলে ” বহুবার স্যারদের অনুরোধ করলেও কোনও সুরাহা হয়নি”

সোনারপুর রাজপুর পৌরসভার অন্তর্গত এই স্কুলের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ অভিভাকরা জানিয়েছেন, তাঁরা প্রধানশিক্ষকের কাছে শতাধিক অভিভাবকের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি অবিলম্বেই দেবেন l ” তাতেও টনক না নড়লে আমরা রাজনৈতিক নেতামন্ত্রীদের দ্বারস্থ হবো, সামনেই পৌরভোট, মাস্টাররা ভোটার না হলেও আমরা কিন্তু ভোটার ” বলছেন আর এক অভিভাবক নতুন হাটের জয়নাল মিদ্দে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x