পর্ষদের নাম করে চাকরির টোপ। ফোন করে দেওয়া হয়েছিল সেই প্রস্তাব। বুধবার এই অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরি প্রার্থী। তাঁর সেই অভিযোগ শোনা মাত্রি সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার রহস্যময় নম্বর প্রসঙ্গে মুখ খুলল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
প্রাথমিক শিক্ষকে বেনিয়মের অভিযোগ উঠতেই ২৬৮ জনকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে চাকরি বাঁচাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কর্মরত শিক্ষকরা। বুধবার তাঁদের মধ্যে ১৪৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই ১৪৩ জনের দ্রুত বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি।
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সম্পর্কে এহেন মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেবার স্বচ্ছতার পক্ষেই সওয়াল করেছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী। মঙ্গলবার নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করেন বেশ কয়েকজন চাকরি প্রার্থী। তাঁদের সঙ্গে দেখা করে একই মন্তব্য করতে দেখা গেল সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদকে। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার চাকরি প্রার্থীরা।
তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ইন্টাভিউয়ের দিন ঘোষণা করল পর্ষদ। বৃহস্পতিবার পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তবে এবারের ইন্টারভিউটে কত জনকে ডাকা হবে ? তা এখনও জানানো হয়নি। জানা গেছে, যে সমস্ত চাকরি প্রার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের সময় আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি এবং দক্ষিণ দিনাজপুর বেছে নিয়েছিলেন, তাঁদেরকে ইণ্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এমনটাই অভিযোগ করল সিবিআই। সেই তথ্য হাতে পেতেই বিরাট পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। অবিলম্বে অভিযুক্তদের বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ১৬৯৮ চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।
শুধুমাত্র তৃণমূলের আমলে নয়, বাম আমলের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন চাকরি প্রার্থীদের। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে অনশন কর্মসূচি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার অনশন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পরলেন এক চাকরি প্রার্থী। যা নিয়ে চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগে চুড়ান্ত দুর্নীতি দেখে একের পর এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন জেল হেফাজতে। জেলে রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টচার্য। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে চুড়ান্ত বেনিয়মের অভিযোগ মিলতেই চরম হুঁশিয়ারি দিল আদালত।