দুর্নীতির কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। দীর্ঘ অবস্থান বিক্ষোভের পর এখনও মেলেনি সুরাহা। শনিবার দ্রুত স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা অবধি মিছিলের ডাক দিয়েছে চাকরি প্রার্থীদের ৯ টি আন্দোলন মঞ্চের মহাজোট। সেই মহাজোটের মিছিলও নিয়ে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানালেন মহাজোট করে চাকরি হবে না, সময় হলে সবাই পাবে।
শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল অবধি বিরাট মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। মিছিলে উপস্থিত হয়েছে বুদ্ধিজীবী এবং নাগরিক সমাজ। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এদিন মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। মহামিছিলে চাকরি প্রার্থীদের মহাজোট, শিয়ালদহ থেকে এই মিছিল থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে চান আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীরা।
১১৫৩ জন পড়ুয়াদের জন্য ১৩ জন শিক্ষক! স্কুল পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মালের রিপোর্টে বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর প্রশ্ন, পুরুলিয়ায় শিক্ষকতার চাকরিতে অনীহা কেন? শিক্ষক বদলিতেও দুর্নীতি হচ্ছে? শিক্ষক বদলি মামলায় এই মন্তব্য করে বসলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।
দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক মামলায় চাকরি প্রার্থীদের হয়ে আদালতে সওয়াল করতে দেখা গেছে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। অথচ তাঁর কারণেই নিয়োগ আটকে যাচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন চাকরি প্রার্থীরা। চাকরি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বিকাশবাবুর মন্তব্য, আসলে ২০২২ এ যে অতিরিক্ত পদে নিয়োগের কথা বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত পদে এই নিয়োগ আসলে দুর্নীতি।
ফের কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ১ ডিসেম্বর অবধি শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের। নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। একইসঙ্গে শূন্যপদ নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে ২৮ নভেম্বর হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
যদি কোন রিট-পিটিশনকারী প্রার্থী উপরে উল্লিখিত প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে ব্যর্থ হন, তাকে স্ক্রুটিনি/যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের যোগ্য হিসাবে বিবেচনা করা হবে বা। এই সমস্ত চাকরি প্রার্থীর ইন্টারভিউ/ভাইভা-ভোস এবং অ্যাপটিটিউড টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।
শুনানি চলাকালীন বিচারকের প্রশ্ন ছিল, শুধুমাত্র বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়া ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল? কেন তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না? এরপরেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের চুড়ান্ত তৎপরতা। দুই মেদিনীপুর এবং উত্তর দিনাজপুর থেকে মোট ২০ জন চাকরি প্রাপককে তলব করা হয়েছে।