নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুর্নীতির কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। দীর্ঘ অবস্থান বিক্ষোভের পর এখনও মেলেনি সুরাহা। শনিবার দ্রুত স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা অবধি মিছিলের ডাক দিয়েছে চাকরি প্রার্থীদের ৯ টি আন্দোলন মঞ্চের মহাজোট। সেই মহাজোটের মিছিল নিয়ে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানালেন মহাজোট করে চাকরি হবে না, সময় হলে সবাই পাবে।


সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, মহাজোট করে, পার্টি করে তো হবে না। যারা সত্যিকারের চাকরি প্রার্থী, তাঁদের নিশ্চিতভাবে শিক্ষা দফতর ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং তাঁদের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু এই জোট ভোট এসব দিয়ে হয় না। একটু ধৈর্য ধরতে হবে, নিশ্চিতভাবে হবে। তাঁর এই কথা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানুতোর শুরু হয়েছে।

৯ টি সংগঠনের মহাজোটের পক্ষ থেকে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল অবধি বিরাট মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। মিছিলে উপস্থিত হয়েছে বুদ্ধিজীবী এবং নাগরিক সমাজ। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এদিন মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। শিয়ালদহ থেকে এই মিছিল থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে চান আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীরা।



চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, দুর্নীতির কারণে বারবার বঞ্চনার শিকার হয়েছে তাঁরা। শহরের একাধিক প্রান্তে কখনও অনশন কর্মসূচি, আবার কখনও অবস্থান বিক্ষোভের মাধ্যমে সরকারের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এই চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে প্রায় ৬৫০ দিন ধরে আন্দোলন করছেন। আবার কারোর আন্দোলন ১০০ দিন অতিক্রান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে নিয়োগ নিয়ে বারবার প্রতিশ্রুতি মিলেছে মুখ্যমন্ত্রী ও শাসক দলের তরফে। কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। তাই শান্তিপূর্ণ অবস্থান থেকেই বার্তা দিয়েছেন তাঁরা।
মহাজোট করে চাকরি হবে না, সময় হলেই চাকরির আশ্বাস ফিরহাদের

তাঁদের প্রশ্ন, আর কতদিন এভাবে অপেক্ষা করতে হবে? দীর্ঘ সময় ধরে বঞ্চনার পর সরকারের টনক কবে নড়বে? তাই পথে নেমে ফের সরকারের উদ্দেশ্যে বার্তা পৌঁছে দিতে চায় চাকরি প্রার্থীদের মহাজোট। নিয়োগ নিয়ে এখন মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান তাঁরা। অন্তত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসুক সরকার। আমাদের বিশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সদর্থক আলোচনায় এই বিষয়টার নিষ্পত্তি ঘটবে।







