মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে স্কুল সার্ভিস সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই সময়েই সিবিআইয়ের কাছ থেকে বেআইনিভাবে চাকরি প্রাপকদের তালিকা চাইলেন তিনি। এদিন বিচারপতি বলেন, যারা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, এখনও কেন পদত্যাগ করেনি? তাঁরা পদত্যাগ না করলে এবার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে আদালত।
উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। হাই কোর্টের নির্দেশ, কোনও চাকরি প্রার্থীকে সুপারিশপত্র দিতে পারবে না স্কুল সার্ভিস কমিশন। দুই দিনের জন্য নিয়োগ স্থগিতাদেশ রাখার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। চাকরি প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছে এমনই মন্তব্য করতে দেখা গেছে বিচারপতিকে।
পুজোর আগেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মন্ত্রীসভার বৈঠকে ১৬০০ শূন্যপদে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একমাসের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল কমিশন। শারীরশিক্ষা এবং কর্মশিক্ষা দুটি বিভাগে ১৬০০ টি শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হল।
২০১৪ সালের টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল। তা আগেই প্রমাণিত হয়েছে আগেই। এবার ২০২২ এর টেট এগিয়ে আসার আগে নতুন টেটের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ভুল প্রশ্নে সকলকে নম্বর দেওয়া সম্ভব? এদিন প্রশ্ন করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এব্যাপারে পর্ষদের জবাব চেয়ে তিন দিন সময় দিয়েছেন বিচারপতি।
দীর্ঘ আট বছর ধরে অপেক্ষা। শুক্রবার ইন্টারভিউতে বসার সুযোগ পেলেন ১৫৮৫ জন চাকরি প্রার্থী। দীর্ঘ সময়ের পর ইন্টারভিউয়ের সুযোগ পেয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য, ইন্টারভিউয়ের পরে নিয়োগ হবে তো?
লাগামছাড়া নিয়োগ দুর্নীতির কারণে বিরাট প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার। এমত অবস্থায় নতুন করে নিয়োগের ঘোষণা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ঘোষণা মতোই উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। উচ্চ প্রাথমিকে ১৫৮৫ পদে নিয়োগ এর কথা ঘোষণা করলেন তিনি।