নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি যারা বেআইনিভাবে অথবা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের পদত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। নাহলে আদালতের তরফে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের একটি মামলায় সেই তালিকা চাইলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari: তৃণমূলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু, চাইলেন সিবিআই তদন্ত


মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে স্কুল সার্ভিস সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই সময়েই সিবিআইয়ের কাছ থেকে বেআইনিভাবে চাকরি প্রাপকদের তালিকা চাইলেন তিনি। এদিন বিচারপতি বলেন, যারা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, এখনও কেন পদত্যাগ করেনি? তাঁরা পদত্যাগ না করলে এবার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে আদালত।

উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের তদন্তের রিপোর্ট দেখে বারবার বিস্ফোক মন্তব্য করতে দেখা গেছে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। কখনও নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দেওয়ার বিষয়ে আবার কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়ার বিষয়েও সরব হতে দেখা গেছে। সেকারণেই ৮ নভেম্বরের মধ্যে সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও নিয়োগ হচ্ছে না কেন? প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।
সূত্রের খবর, গত কয়েক বছরে নিয়োগের ক্ষেত্রে পাহাড় তৈরি হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়মের নজির গড়ে উঠেছে জেলায় জেলায়। গত কয়েক বছরে এই ভুয়ো নিয়োগের সংখ্যা কত? বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে তা খুঁজে বের করতেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে বৈঠকে বসেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন, মধ্য শিক্ষা পর্ষদ এবং মামলাকারীদের আইনজীবীরা।


এখনও কেন পদত্যাগ করেনি? বিচারপতির প্রশ্ন ঘিরে শুরু জল্পনা

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ভুয়ো নিয়োগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে তথ্য জমা দিয়েছে সিবিআই। সেই তথ্যের সঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। ১৬ নভেম্বর হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে সেই রিপোর্ট। তারপরেই কয়েক হাজার জন চাকরি প্রার্থী চাকরি হারাতে পারেন। এমনটাই সূত্রে খবর।







