এদিন পর্ষদের সভাপতি বলেন, টেট পাশ করা মানে চাকরি নয়। ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে পাশ করেছি বলে চাকরি দিতে হবে, এটা নিয়ম নয়। টেট হল যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা। এক বার দুর্নীতি হয়েছে বলে আর ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করবেন না, এমনটা যেন না হয়। এমনকি গৌতম বাবুর সাফ বক্তব্য, কাজের পর কোনও সন্দেহ দেখা দিলে তদন্তের মুখোমুখি হতে রাজি রয়েছেন তিনি।
যারা দিনের পর দিন এখানে বসে অপেক্ষা করছে, চোখের জল ফেলছে তাঁদের প্রতি আপনার বক্তব্য কী? আপনি উৎসব করছেন, কিন্তু আমাদের উৎসব কী হবে? দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলনের পর অপেক্ষারত হবু শিক্ষকদের আন্দোলনের ভাষা এই মুহুর্তে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু করেছে।
নম্বর বিভাজন সহ সমস্ত তথ্য দিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চাই ৬০ হাজার জনের নিয়োগ তালিকা। শুক্রবার এমন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যে ৫৯ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছিল। সেই তালিকাই প্রকাশ করতে হবে।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করছে সিবিআই। এরই মধ্যে নতুন করে টেট পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হতে পারে। এমনটাই সূত্রে খবর। শুক্রবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে আজই বৈঠকে বসতে চলেছে অ্যাড হক কমিটির সদস্যরা। প্রাথমিক শিক্ষক পদে দ্রুত নিয়োগ! জল্পনা তুঙ্গে।
গতকাল একযোগে সিবিআই ও কমিশনকে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরেই বৃহস্পতিবার বেআইনি নিয়োগ খুঁজে বের করতে উদ্যোগ নিল কমিশন। বিকেল ৫ টা নাগাদ শুরু হয়েছে কমিশনের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। আজকের বৈঠকের পরেই পুজোর আগেই চাকরি হারাবেন বহুজন। মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।