নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ দুর্নীতিতে অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এদিনেই পর্ষদের তরফে নয়া নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে নতুন সভাপতি গৌতম পাল৷ তিনি জানিয়েছেন, যাঁরা ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে টেট পাশ করেছেন, তাঁরা আবেদন করুন। তাঁদের এই বছরের মধ্যে নিয়োগ করার ব্যবস্থা হবে। আগামী ২ বছরের মধ্যে কোনও টেট পাশ করা প্রার্থী বসে থাকবেন না। তাতেই আপত্তি চাকরি প্রার্থীদের।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার অন্দরেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল, দুই হেভিওয়েটের মধ্যে বিবাদ চরমে


চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, এর আগে দুই বার করে অনেকেই ইন্টারভিউ দিয়েছেন এখন নিয়োগ চান তারা। আবার আদালতের নির্দেশের পরেও অনেককে ছয় নম্বর করে দেওয়া হয়নি। সেবিষয়েও সরব হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা৷ প্রয়োজন পড়লে ফের আইনি পথ অনুসরণের কথা উল্লেখ করেন চাকরি প্রার্থীরা। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, দুর্নীতি হয়েছে এটা স্পষ্ট। কখনও নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আবার কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন অনেকেই। কিন্তু টাকার বিনিময়ে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা কেন বঞ্চিত হবেন?

এদিন পর্ষদের সভাপতি বলেন, টেট পাশ করা মানে চাকরি নয়। ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে পাশ করেছি বলে চাকরি দিতে হবে, এটা নিয়ম নয়। টেট হল যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা। এক বার দুর্নীতি হয়েছে বলে আর ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করবেন না, এমনটা যেন না হয়। এমনকি গৌতম বাবুর সাফ বক্তব্য, কাজের পর কোনও সন্দেহ দেখা দিলে তদন্তের মুখোমুখি হতে রাজি রয়েছেন তিনি।
নতুন নিয়োগের ঘোষণা পর্ষদ সভাপতির, আগামী দিনে বাড়ছে জটিলতা



যদিও সকাল থেকে মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারির খবরে শোরগোল পড়লেও চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য ছিল তাদের দ্রুত নিয়োগের প্রয়োজন৷ সরকারের দুর্নীতির কারণে কেন বঞ্চিত হতে হবে? প্রশ্ন তোলেন তারা। মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারির পর থেকে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। আগামী দিনে নিয়োগ নিয়ে উত্তাপ বাড়বে। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।







