নজরবন্দি ব্যুরোঃ নম্বর বিভাজন সহ সমস্ত তথ্য দিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে চাই ৬০ হাজার জনের নিয়োগ তালিকা। শুক্রবার এমন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যে ৫৯ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছিল। সেই তালিকাই প্রকাশ করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ Durga Pujo 2022: এবারের পুজোয় ছায়াছবির পঞ্চব্যঞ্জন, আসুন দেখেনি কি কি সিনেমা


অভিযোগ, বেশী নম্বর পাওয়ার পরেও নিয়োগ করা হয়নি। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষকেরা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় কত নম্বর পেয়েছিলেন, তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। ফলত নিয়োগ নিয়ে কতটা দুর্নীতি হয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

একইসঙ্গে এর আগে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে তদন্তভার দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। অপসারিত করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। সম্প্রতি আদালতে ইডির তরফে যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়গের ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি হয়েছে।


শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জর্জরিত রাজ্য সরকার। নিয়মিত দুর্নীতির কোপে চাকরি হারিয়েছেন বহু। আবার আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি ১৮৭ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরই মধ্যে বিরাট ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। পর্ষদের সিদ্ধান্তে তবে কী সরকারের ইমেজ পরিবর্তন হবে? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
চাই ৬০ হাজার জনের নিয়োগ তালিকা, সাফ নির্দেশ আদালতের

অভিযোগ, কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে নিয়োগ হয়েছে। আবার কখনও ইন্টারভিউতে বাড়িয়ে নম্বর দেওয়া হয়েছে। আবার কখনও টাকার বিনিময়ে নিয়োগ হয়েছে। সেই অভিযোগের পরেই এই পদক্ষেপ নিল কলকাতা হাইকোর্ট।







