স্থায়ী শিক্ষকদের ন্যুনতম বেসিক পে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদেরও দিতে হবে, আগেই এই নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। যে রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এবার শীর্ষ আদালতেও বহাল থাকল হাই কোর্টের নির্দেশই। তবে কেবল, যে শিক্ষকরা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়িয়ে থাকেন তাদের জন্য এই নিয়ম কার্যকরী হবে।
ক্রমশ বাড়ছে কসবা স্কুলের ছাত্র মৃত্যুর রহস্য! এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ কি? সেবিষয়ে জানা যায়নি! অন্যদিকে, স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ছাত্রের পরিবার। এদিকে, মৃত্যুর ঘটনার জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কসবার সিলভার পয়েন্ট স্কুল। বৃহস্পতিবার কসবার ওই স্কুলের বাইরে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আর আচমকা স্কুল বন্ধের কারণের রীতিমত অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অভিভাবকরা!
ক্রমশ বাড়ছে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় রহস্য! শোরগোল ছড়িয়েছে কলকাতায়। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন ছাত্রের পরিবার। এহেন পরিস্থিতিতে কসবা স্কুলের ঘটনাস্থলে পৌঁছাল ময়নাতদন্তকারী ২ জন চিকিৎসক। কিভাবে কসবা স্কুলে মৃত্যু ছাত্রের? তদন্ত শুরু করেছেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে কসবার সিলভার পয়েন্ট স্কুলে রয়েছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ওপর থেকে পড়ার কারণে ছাত্রের একাধিক হাড় ভেঙে গিয়েছিল। চোয়াল, পাঁজর, কোমর ও ডান পায়ের হাড় ভেঙেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজে দুপুর ২টো ২-এর পরের ফুটেজ আর পাওয়া যাচ্ছে না। যার ফলে সোমবার দুপুর ২টোর পর কী হয়েছিল তা জানতে পাশের একটি রিসর্টের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার কথা ভাবছে পুলিশ। কারণ, পুলিশের কাছে যেই ফুটেজটি আছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই দশম শ্রেণির পড়ুয়ার বারবার স্কুলের ৬ তলার বারান্দায় ঘোরাঘুরি করছে। তারপরে আর ওই ছাত্রের গতিবিধি আর ক্যামেরাবন্দি হয়নি। তাই এবার পাশের রিসর্টের থেকে ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চাইছে পুলিশ।
ড.সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণন জন্ম হয় তামিলনাড়ুর তিরুত্তানিতে। সালটা ছিল ১৮৮৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। তার পিতার নাম ছিল সর্বপল্লী বীরস্বামী। এবং মাতার নাম সীতাম্মা। তিনি ছোটথেকেই পড়াশোনায় খুব ভাল ছিলেন।
হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিহারারা। এখন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরিহারাদের চাকরি ফিরতে চলেছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ আপাতত সেই চাকরিগুলি বহাল রাখার নির্দেশিকা জারি করল। ফলে চাকরি ফিরে পাচ্ছেন সাড়ে তিন হাজার জন।
নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলায় বেআইনিভাবে নিয়োগ হওয়া চাকরি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষপে নিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি চাকরি বাতিলের নির্দেশ অবধি দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপর থেকে বাড়তি তৎপরতা শুরু হয়েছে চাকরিহারাদের মধ্যে।