নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলায় বেআইনিভাবে নিয়োগ হওয়া চাকরি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষপে নিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি চাকরি বাতিলের নির্দেশ অবধি দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপর থেকে বাড়তি তৎপরতা শুরু হয়েছে চাকরিহারাদের মধ্যে।
আরও পড়ুনঃ Tapas Saha: এবার প্রবীর কয়ালকে তলব করল সিবিআই, বিপদ কাটছে না তৃণমূল বিধায়কের


জানা গেছে, চাকরিহারা শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা স্কুলে গিয়ে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলছেন। কেউ আবার কাজে যোগ দেওয়ার জন্য আইনজীবীদের চিঠি নিয়ে হাজির হয়েছেন। শনিবার এবিষয়ে জেলা পরিদর্শকের সঙ্গে দেখা করেছেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকরা। কিন্তু এই আলোচনায় কোনও সদুত্তর মেলেনি। তাহলে চাকরিহারাদের ভবিষ্যত কী হবে? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই নবম ও দশমে ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে একাধিক জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রথম হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ও পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন চাকরিহারা কর্মপ্রার্থীরা।
বাড়তি তৎপরতা শুরু হয়েছে চাকরিহারাদের মধ্যে, স্কুলে যাচ্ছেন তাঁরা

চাকরি হারাদের আবেদনের জেরে সমস্যায় পড়েছেন প্রধান শিক্ষকরা। তাঁদের বক্তব্য, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নির্দেশের প্রেক্ষিতে তাঁদের চাকরি বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু এখনও তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার কোনও নির্দেশ মেলেনি। এমনকি ডিআইইয়ের তরফেও কোনও বার্তা মেলেনি। ডিআই মারফত মধ্যশিক্ষা পর্ষদের একটি বিজ্ঞপ্তি স্কুলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ‘কেপ্ট ইন অ্যাবেয়্যান্স’ অর্থাৎ স্থগিত রাখার কথাই বলা হয়েছে। এই নির্দেশের ভিত্তিতে চাকরি হারাদের ফেরানো সম্ভব নয়। এমনটাই জানাচ্ছেন প্রধান শিক্ষকরা।









