নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুধে তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। তারপরেই বিধায়কের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। প্রায় ১৫ ঘন্টা তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর ফিরে আসতে হয়েছিল তদন্তকারী অফিসারদের। কিন্তু হাল এত সহজে ছাড়তে নারাজ। এবার প্রবীর কয়ালকে তলব করল সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ Gangrape: ভিনরাজ্যে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার বাংলার তরুণী, অধরা অভিযুক্তরা


সিবিআই সূত্রে খবর, তাপস সাহার প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক ছিলেন প্রবীর কয়াল। তাঁর অ্যাকাউন্টে ২ মাসে প্রায় ২ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ মিলেছে। এত বিপুল টাকার লেনদেন কী কারণে হয়েছিল? এর সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির কোনও টাকার যোগ রয়েছে? তা জানতেই আগামীকাল নিজাম প্যালেসে প্রবীর কয়ালকে তলব করা হয়েছে।

এর আগে প্রবীর কয়াল দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে ফাঁসিয়েছে দুর্নীতি দমন শাখা। তাঁর অভিযোগ, নিজের ঘাড়ে সমস্ত দায় নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। জোর করে ভয় দেখিয়ে বলেছিল যে নিজের দোষ নিজে নিতে হবে। তাপস সাহার নামে কিছু বলা যাবে না। ওনাকে আমরা ধরতে পারব না। সেই কারণেই আমার এই অবস্থা। আমি এ বিষয়ে কোনওভাবেই যুক্ত নই। আমি রাজনৈতিক যড়যন্ত্রের শিকার। উনার সঙ্গে থেকে যে আমার এত ক্ষতি হবে ভাবিনি। আমি উনার পিএ নই। কেউ নই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এবার প্রবীর কয়ালকে তলব করল সিবিআই, টাকার লেনদেন বিষয়ে জানতে চায়

চলতি মাসেই তাপস সাহার বাড়িতে সিবিআই অভিযান চালানোর পাশাপাশি প্রবীর কয়ালের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। এছাড়াও একাধিক ভুক্তভোগীদের সঙ্গেও কথা হয় সিবিআই। তাঁর জানিয়েছেন, কখনও প্রবীর কয়াল মারফত, আবার কখনও নিজেই সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন তাপস সাহা। যদিও তাপস সাহার বক্তব্য, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।









