ভোটের ফল ঘোষণার আগেই বড় দাবি করে বিতর্কে হুমায়ুন কবীর। নওদা ও রেজিনগর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি, এমনকি একটিতে জিতে পদত্যাগের কথাও ঘোষণা করেছেন। তবে এই বক্তব্যকে সরাসরি ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।
নিজের দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গড়ে নির্বাচনে নামলেও ভোটের আগেই তাঁর একাধিক প্রার্থী তৃণমূলে যোগ দেন। তবুও নওদা ও রেজিনগর—এই দুই আসনে লড়াইয়ে নামেন হুমায়ুন। ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাঁর দাবি, “দুই জায়গা থেকেই জিতব। তবে রেজিনগর ছেড়ে দেব, নওদাতেই থাকব।” ভবিষ্যতে লোকসভা নির্বাচনে লড়ার পরিকল্পনাও জানিয়েছেন তিনি।


কিন্তু এই আত্মবিশ্বাসের মাঝেই বিতর্কের ছায়া ঘনিয়েছে। ভোটের আগে একটি ভাইরাল ভিডিও সামনে আসে, যেখানে তাঁকে নিয়ে নানা অভিযোগ তোলে তৃণমূল। এমনকি সংখ্যালঘু ভোটারদের নিয়েও মন্তব্য ঘিরে ক্ষোভ ছড়ায়। ভোটের দিন একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে।
হুমায়ুনের এই ‘ডাবল জয়ের’ দাবিকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান শেখের বক্তব্য, “গাছে কাঠাল গোঁফে তেল। আগে ফল বেরোক, তারপর বিধায়ক হওয়ার স্বপ্ন দেখুক। নওদায় ওর জামানতই জব্দ হবে।”
এদিকে বিজেপিও আক্রমণ শানিয়েছে। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মলয় মহাজন বলেন, “দুই কেন্দ্রেই ও হারবে। এ সব পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়।”


সব মিলিয়ে, ভোটের ফল প্রকাশের আগেই দাবির পাল্টা দাবিতে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিবেশ। এখন নজর ৪ মে—ফলাফলের দিনই ঠিক করবে কার আত্মবিশ্বাস টিকে থাকে, আর কার দাবি ভেস্তে যায়।







