নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে তাপসের নাম করেই টাকা নিয়েছেন তিনি। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন প্রবীর। তাঁর বক্তব্য, আমাকে ফাঁসিয়েছে দুর্নীতি দমন শাখা। জোর করে মুখ থেকে বলিয়ে নিয়েছে রাজ্য পুলিশ।
প্রায় সাড়ে ১৪ ঘন্টা তল্লাশির পর তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সিবিআই। শনিবার সিবিআই যেতেই বাড়িতে ভুরিভোজের আসর বয়ালেন তাপস। উপস্থিত ছিলেন দলের অন্যান্য নেতারা। অন্যদিকে, তাপসের কোটি টাকার অনুসন্ধানে নামল তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, তাপসের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়ালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে ২ কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছে।
নতুন ফোন কিনেই তাপস জানালেন শুধুমাত্র দিদির ফোন নম্বর সেভ করে রাখবেন। শুধুমাত্র দিদির সঙ্গেই কথা বলবেন। বাকি সাধারণ মানুষের নম্বর সেভ করে রাখবেন এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ, আরও একবার দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখলেন তিনি।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুক্রবার থেকেই তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে উপস্থিত হয় সিবিআইয়ের বিরাট দল। কিন্তু বিধায়ক দাবি করেছিলেন, তাঁর বাড়ি থেকে কোনও তথ্য উদ্ধার হয়নি। এরপর তাপসের সূত্র ধরে ৬ জায়গায় তল্লাশি অভিযানে সিবিআই। সূত্রের খবর, তাপস সাহার ছেলে সহ কর্ণাটক ও ব্যাঙ্গালুরুর ৬ জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান।