আসল কথাটা হল, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজনীতির উর্ধ্বে নন, রাজনীতিতে তিনি এলেই এক লহমায় সব পরিবর্তন হয়ে যাবে তাও নয়। তাঁর চিন্তা সঠিক, দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক। আর সেটাও এসেছে তাঁর পেশা থেকে। একজন আইনের লোক তো আর অসৎ হতে পারেন না! ফলে, রাজনীতিতে এলে রাজনীতিকেও চিনতে হবে অভিজিৎকে। মাটির গন্ধ, মানুষের গন্ধ হয়তো তিনি চেনেন, কিন্তু প্রতিরোধ আর প্রতিবাদের রাজনীতি থেকেই জন্ম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, সেই লড়াই খুব সহজ হবে না, তাই কি দু'বছরের একটি প্রস্তুতিতে নামলেন অভিজিৎ?
শিক্ষা দুর্নীতি, পুরসভা দুর্নীতির পর এবার প্রকাশ্যে এসেছে সমবায় দুর্নীতি। আর এই দুর্নীতির তদন্তভার ইডি-সিবিআইয়ের হাতেই থাকবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ, এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তার পক্ষেই রায় দিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ।
২০২২ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না উচ্চ প্রাথমিকের পার্শ্ব শিক্ষকরা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় খারিজ করে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমার।
মঙ্গলবার প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ তুলে একটি নতুন মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। আর এবার নতুন মামলার তদন্তভার সিবিআই, ইডির মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সিকেই দেবার নির্দেশ দিলেন তিনি। একঘন্টার মধ্যে এজেন্সির আইনজীবীদেরও তাঁর এজলাসে ডেকেছেন গঙ্গোপাধ্যায়। বিকেল সাড়ে চারটের পর মামলার পরবর্তী শুনানি।
ববিতা সরকারের করা মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকেই বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ, ওএমআর শিট প্রকাশ করতে হবে এসএসসিকে।
মন্ত্রী কন্যার বিরুদ্ধে গিয়ে চাকরি নিজের নামে করেছিলেন ববিতা সরকার। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম বেশ আলোচিত। কিন্তু তাঁকেও চাকরি হারাতে হয়েছে। তবে এখন সেই চাকরি ফেরাতে মরিয়া ববিতা। তাই একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর মেধাতালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়ে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে মামলাকারীণীর রায়তে সাড়া দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।