নোটিশে জানানো হয়েছে, ২০১৪ সালে টেট পাশ করে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সিরিয়াল নম্বর, জন্মের শংসাপত্র। পিতার নাম, বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নম্বর কোন স্কুলে চাকরি করছেন সেবিষয়ে তথ্য দিতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এটি অন্যতম বড় পদক্ষেপ। এর ফলে বাড়তে পারে চাকরি বাতিলের সংখ্যা, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটের সমস্ত প্রার্থীকে ভুল প্রশ্নের জন্য ৬ নম্বর দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার এমনটাই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের নির্দেশ, ইতিমধ্যেই প্রশ্নভুলের কারণে অনেকেই চাকরি পেয়েছেন। এবার প্রত্যেককে ৬ নম্বর করে দিতে হবে। চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার কাঁথির এক প্রভাবশালী শিক্ষককে। সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের ওপর। এর সঙ্গে রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগ রয়েছে? নিয়োগ দুর্নীতিতে কাঁথির শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।
দেখতে দেখতে স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ৭২৫ দিন ধরে ধর্না জারি রেখেছেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর হবু শিক্ষকরা। এরই মধ্যে সরকারের দুর্নীতির বহর দেখে চক্ষু চড়ক গাছ হয়েছে রাজ্যবাসীর। তবুও নিয়োগ নিয়ে এখনও সুদিনের আশায় রয়েছেন তাঁরা। উৎসবের দিনে আরও একবার রাজপথে চাকরিপ্রার্থীরা। কালো পোশাকে সরকারকে বার্তা দিলেন তাঁরা।
নবম ও দশম মামলায় ৯৫২ জন চাকরি হারিয়েছেন, তাঁরা মামলা করলেন। সেই মামলার শুনানিতে বুধবার বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, চাকরি বরখাস্তের আদালতের কোনও তাড়াহুড়ো নেই। কিন্তু কিছু বিনিদ্র রাত আপনাদের কাটাতে হবে। কারণ, দুর্নীতিতে আপনারা উপকৃত হয়েছেন।