নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার কাঁথির এক প্রভাবশালী শিক্ষককে। সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের ওপর। এর সঙ্গে রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগ রয়েছে? নিয়োগ দুর্নীতিতে কাঁথির শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।
আরও পড়ুনঃ Islampur Blast: বিরাট বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য ছড়াল ইসলামপুরে, বোমা বাঁধতে গিয়ে উড়ে গেল জোড়া হাত
পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি এলাকার বেকার যুবক যুবতীদের সরকারি দফতরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তোলেন দীপক জানা নামে এক শিক্ষক। প্রায় ৫ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কাঁথির কিশোরনগরের বাসিন্দা চিরঞ্জিৎ দাস, পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার বাসিন্দা অঞ্জলি গুছাইত। অভিযোগের প্রেক্ষিতেই গ্রেফতার করা হয় দীপককে।

এদিন সিবিআইকে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, এই দুর্নীতির প্রাথমিকভাবে তদন্ত করবে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এর সঙ্গে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতির যোগ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখা হবে। ৩ সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে প্রাথমিক অনুসন্ধান রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতিতে ব্যাপক আর্থিক নয়ছয়ের বিষয়েও খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে ইডিও। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, এছাড়াও শিক্ষা দফতরের প্রাক্তন আধিকারিকদের অধিকাংশদেরই ঠিকানা এখন জেলে। একই কাণ্ডে যুক্ত হয়েছে শাসক দলের একাধিক নেতাদের নামও।
নিয়োগ দুর্নীতিতে কাঁথির শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, খুঁজে দেখবে সিবিআই

দুর্নীতির গতি বাড়াতে সাত রাজ্য থেকে অফিয়ারদের আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সিবিআই। ওয়েকবিহাল মহলের প্রশ্ন, দুর্নীতিতে শুধুমাত্র গতি বাড়ানোর জন্য সিবিআই অফিসাররা রাজ্যে আসছেন? নাকি এবার তদন্তের নিষ্পত্তি হতে চলেছে।



