নজরবন্দি ব্যুরোঃ নবম ও দশম মামলায় ৯৫২ জন চাকরি হারিয়েছেন, তাঁরা মামলা করলেন। সেই মামলার শুনানিতে বুধবার বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, চাকরি বরখাস্তের আদালতের কোনও তাড়াহুড়ো নেই। কিন্তু কিছু বিনিদ্র রাত আপনাদের কাটাতে হবে। কারণ, দুর্নীতিতে আপনারা উপকৃত হয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ED: শহরজুড়ে দশটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান, কী খুঁজছে ইডি?


এদিন মামলাকারীদের একাংশের আইনজীবী বলেন, নিশ্চিত একটা বড় দুর্নীতি হয়েছে। আমাদের দিকে তীর ছোঁড়া হচ্ছে। কিন্তু যেভাবে বিধ্বস্ত হতে হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে আমাদের পরিবারকেও। সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। এই মামলা চলতে অনেকটা সময় লাগবে। কিন্তু এর জেরে আমার সন্তান স্কুলে যেতে পারবে না। দুর্নীতি রুখতে গিয়ে আরও একটি অন্যায়কে প্রশয় দেওয়া হচ্ছে না তো? পাল্টা বিচারপতির মন্তব্য সহানুভূতি চাইবেন না।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসে। ২০১৬ সালে নবম ও দশম শ্রেণীতে যে নিয়োগ হয়েছিল, তার ১০ শতাংশ ভুয়ো। এমনটা জানার পরেই ৯৫২ জনের ওএমআর শিট হাতে পায় সিবিআই। সেখান থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি বাতিল হয় কর্মরত ৮০৫ জনের। এরই মধ্যে ৬১৮ জনের চাকরি বাতিলের সম্ভাব্য তালিকাও প্রকাশ করেছে এসএসসি। অভিযোগ, অনেকেই সাদা খাতা জমা দিয়ে কম নম্বর পেয়ে অথবা নম্বরে কারচুপি করে চাকরি পেয়েছেন।
দুর্নীতিতে আপনারা উপকৃত হয়েছেন, কড়া পদক্ষেপ বিচারপতি বসুর

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি গেলে প্রভাব পড়তে পারে মাধ্যমিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে। তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিতে চান না বিচারপতি। আজ কিছু সময়ের মধ্যে রায়দান দেবে আদালত।









