নজরবন্দি ব্যুরোঃ কার্নিভ্যালের কারণে প্রশাসনের তরফে চাকরি প্রার্থীদের ধর্নায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। চিঠি দেয় ময়দান থানা। পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ধর্না, শনিবার ধর্মতলায় বসল গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীরা। পরে পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তাঁদের। যা ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
আরও পড়ুনঃ Madan Mitra: কার্নিভ্যালে জায়গা পায়নি মদন মিত্রের পুজো, অভিমানের সুর বিধায়কের গলায়


গতকাল ধর্মতাল্য ধর্নামঞ্চ একদিনের জন্য তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। কিন্তু শহীদ মাতঙ্গিনী হাজরার মুর্তির পাদদেশে ৫৩ দিন ধরে ধর্না জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য, ২০১৭ সাল থেকে নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁরা। কিন্তু সরকারের বঞ্চনার কারণে বারবার ভুক্তভুগি এই চাকরি প্রার্থীরা। গতকাল তাঁদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে আজ কোনরকম ধর্না ও অবস্থান এই মাতঙ্গিনী হাজরার পাদদেশে করা যাবে না। কারণ, রেড রোডে পুজো কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী বলেন, পুলিশের নূন্যতম লজ্জা নেই। নিজেদের ডিএ বাকি। বাড়িতে দুবেলা বউয়ের জুতো ঝাঁটা, লাথি খাচ্ছে। তাঁরা আজকে বড় বপড় কথা বলছে। আমরা ভবলছি স্বচ্ছ নিয়োগ চাই। আন্দোলন কোনও কার্নিভ্যাল অথবা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না। এই আন্দোলন তখনই থামবে, যখন চাকরি প্রার্থীরা হাতে নিয়োগ পত্র পাবে। এটা সরকার বুঝে নিক।
গতকাল অবশ্য চাকরি প্রার্থীদের পক্ষ নিয়েছিলেন বিরধি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলেন, কলকাতায় মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে অবস্থানরত মেধাযুক্ত বঞ্চিত গ্রুপ-ডি, এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থানের অনুমতি দিয়েছেন মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কার্নিভালের নামে এবং এই নির্দেশিকাকে না মেনে তারা মমতা পুলিশ কে দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন, ওখান থেকে উঠে যাওয়ার জন্য।


পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ধর্না, পুলিশের সঙ্গে শুরু বচসা

তিনি আরও বলে, আমি বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে তাদের কাছে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের জায়গা ধরে রাখুন, কোন অশুভশক্তির কাছে মাথা নত করবেন না। মা উমা আপনাদের সামনে দিয়েই যাবেন, মায়ের আশীর্বাদ আপনাদের সাথে আছে। আপনারা মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টের আদেশ মেনে শক্ত থাকুন।







