নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৪ সালের টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল। তা আগেই প্রমাণিত হয়েছে আগেই। এবার ২০২২ এর টেট এগিয়ে আসার আগে নতুন টেটের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ভুল প্রশ্নে সকলকে নম্বর দেওয়া সম্ভব? এদিন প্রশ্ন করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এব্যাপারে পর্ষদের জবাব চেয়ে তিন দিন সময় দিয়েছেন বিচারপতি।
আরও পড়ুনঃ Sukanta Majumdar: বাংলায় কমপক্ষে ৫০ টি ব্রিজ ভাঙার মুখে, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তের


প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার নিয়োগ হয় ২০১৬ সালে এবং ২০২০ সালে।২০১৫ সালে টেটে ফল প্রকাশের সময় এই ২৩ জনকে অনুত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন তাঁরা। পরে বিশেষজ্ঞ কমিটি জানায় ওই ছয়টি প্রশ্ন ভুল ছিল। ২০১৮-র ১৩ অক্টোবর ছ’টি ভুল প্রশ্ন নিয়ে মামলা দায়ের হয় হাই কোর্টে। এই সময় সকলকে বাড়তি ছয় নম্বর দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়।
অভিযোগ ছিল, আদালতের নির্দেশের পরেও বেশ কিছু জনকে ছয় নম্বর করে দেওয়া হয়নি। ফলত তাঁরা অকৃতকার্য হিসাবে রয়ে গেছিলেন। তাই ২০১৪ এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০১৬ সাল এবং ২০২০ সালে যে নিয়োগ হয়েছিল তাতে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। পরে ২০২১ সালে তাঁদেরকে উত্তীর্ণ হিসাবে ধরা হয়।

২০১৪ সালের টেটে ২০ লক্ষ পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু বাড়তি নম্বর না পেয়েই উত্তীর্ণ হয়েছিলেন দেড় লক্ষ পরীক্ষার্থী। সোমবার টেটে নিয়োগ সংক্রান্ত বঞ্চনার কথা জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক টেট চাকরিপ্রার্থী। আদালতকে তিনি জানিয়েছিলেন, টেটের ভুল প্রশ্নের জন্য তাঁর নম্বর বাড়লেও বয়স পেরিয়ে যাওয়ায় তিনি ইন্টারভিউয়ে বসতে পারেননি। পর্ষদের ভুলের জন্য তিনি বঞ্চনার শিকার হয়েছেন জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন পরীক্ষার্থী।


সেই মামলায় অবশ্য চাকরি প্রার্থীর আবেদনে সাড়া দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর দায় পর্ষদকে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিচারপতি তিনি। ২০১৪-র প্রার্থীরা আন্দোলন করছেন এই দাবিতে যে, তাঁদের অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গিয়েছে, তাই আর পরীক্ষা না নিয়ে সরাসরি নিয়োগ করা হোক।
ভুল প্রশ্নে সকলকে নম্বর দেওয়া সম্ভব? ফের বিচারপতির প্রশ্নে চাপে পর্ষদ

অন্যদিকে, প্রশিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও কেন অগ্রাধিকার দেওয়া হবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ২০১৭-র প্রার্থীরা। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য যারা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, সকলকেই নম্বর দিতে হবে।







