নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ ৭ জনকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেই মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারকের প্রশ্ন ছিল, শুধুমাত্র বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়া ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল? কেন তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না? এরপরেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের চুড়ান্ত তৎপরতা। দুই মেদিনীপুর এবং উত্তর দিনাজপুর থেকে মোট ২০ জন চাকরি প্রাপককে তলব করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, ৬৬৭ জন চাকরি প্রাপকদের তালিকা পেশ করা হয়েছে। ওএমআর শিটে ৬৬৭ জনের নম্বর বদল করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সেই ৬৬৭ জনের মধ্যে মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে ২০ জনকে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই অনেকে মঙ্গলবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গতকাল মামলার শুনানি চলাকালীন ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারক। বিচারকে কথায়, এরাও তো বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ, টাকা দিয়ে নম্বর বাড়িয়েছেন এরা। যে চারজনকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, সেই চারজনকে কেন হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে না? সে তো চারজনকে হেফাজতে নিয়েও করা যায়। তাঁরাও তো পার্ট অব কন্সপিরেসি।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের চুড়ান্ত তৎপরতা, বিরাট পদক্ষেপ সিবিআইয়ের

সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, আমরা বসে নেই। তদন্ত চলাকালীন যে সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ উঠে আসছে, সেই সমস্ত তথ্য প্রমাণ আদালতের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। আর্থিক দুর্নীতির বিষয় সিবিআই না দেখলেও দুর্নীতির সঙ্গে কারা যুক্ত? সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআইয়ের কথায়, হার্ড ডিস্ক থেকে অনেক তথ্যই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিবিআই।



