নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১১৫৩ জন পড়ুয়াদের জন্য ১৩ জন শিক্ষক! স্কুল পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মালের রিপোর্টে বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর প্রশ্ন, পুরুলিয়ায় শিক্ষকতার চাকরিতে অনীহা কেন? শিক্ষক বদলিতেও দুর্নীতি হচ্ছে? শিক্ষক বদলি মামলায় এই মন্তব্য করে বসলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।


বদলির কারণে একাধিক স্কুলের কঙ্কালসার অবস্থা। সোমবার জেলা স্কুল পরিদর্শককে ডেকে এক শিক্ষক বদলি মামলায় একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। স্কুল পরিদর্শকের কথায়, বদলির কারণে পুরুলিয়া জেলার স্কুলগুলির অবস্থা খুবই খারাপ। ৬০ শতাংশ শিক্ষক বদলি নিয়ে অন্য জেলায় গেছেন। যার ফলে শিক্ষক অনুপাত রক্ষা করা যাচ্ছে না। একথা শুনেই রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেন বিচারপতি।

বিচারপতির নির্দেশ, পুরুলিয়া জেলার সমস্ত শিক্ষক ও ছাত্রের আনুপাতিক হার কত? সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করতে হবে। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে হবে। ঝালদা স্কুলে ১১৫৩ জন ছাত্রের জন্য ২১ জন শিক্ষক রয়েছেন। যার মধ্যে ১৩ জনকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১৩ জন।
বিচারপতির বক্তব্য, ১১৫৩ ছাত্রের জন্য ১৩ জন শিক্ষক যথেষ্ট নয়। এরা শিক্ষক নয়, এদের চাকরি থেকে অবসর নেওয়া উচিত। সোমবার এমনটাই জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। পরবর্তী শুনানি ২০ জানুয়ারি।


শিক্ষক বদলিতেও দুর্নীতি হচ্ছে? প্রশ্ন হাইকোর্টের বিচারপতির

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে নিয়গ নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সোমবার সিবিআই জানায়, গ্রুপ ডি নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্যানেল লিস্টে নয়, ওএমআর শিটেও কারচুপি হয়েছে। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে রেয়াত নয়, বিচারপতির মুখেও এই মন্তব্য শোনা যায়। এবার শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।







